জঙ্গি দমনে পুলিশের সাফল্য সত্যিই প্রশংসনীয়

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধে উজ্জীবিত হয়ে সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গি দমনে পুলিশ যে সাফল্য দেখিয়েছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

পুলিশকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনাদের এ কৃতিত্বপূর্ণ অবদান শুধু দেশেই নয়, বিশ্ববাসীরও কাছেও প্রশংসিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকালে পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভার (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৬) দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্টমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন তাকে ছাড় দেয়া না। আমাদেরকে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশ বাহিনীতে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে। জনসেবাধর্মী পুলিশি ব্যবস্থা ধরে রাখার জন্য আপনাদেরকে আরও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।’

সভায় পুলিশের মহা-পরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক মাদক চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে পুলিশি তৎপরতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ দেখাতে হবে।’

উপকূলীয় এলাকায় পুলিশ, র‌্যাব এবং কোস্ট গার্ডকে একত্রে মাদকদ্রব্য বিশেষ করে ইয়াবা চোরাচালান বন্ধের নির্দেশ দেন তিনি।

আইজিপি বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলাগুলো আরও নীবিড়ভাবে তদারক করতে হবে। তিনি শিশু হত্যা, অপহরণ, শিশু ধর্ষণ মামলা নিয়মিত তদারক করার জন্য জেলা পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দেন। আইজিপি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সজাগ ও সতর্ক থাকার জন্যও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং এর মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তিনি জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশকে নির্দেশ দেন। তিনি সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসে চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার ওপর জোর দেন।