সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ ও ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের আয়োজনে বুধবার হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘ভারত সরকারের ম্যাক্রো ইকোনমিক উদ্যোগ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের সফররত অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি।
এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের শিকড় এক, দুই দেশের চ্যালেঞ্জও এক। দুই দেশের সম্পর্ক আজ এমন উচ্চতায় পৌঁছেছে যে ভারত আজ তৃতীয়বারের মতো ঋণ দিতে যাচ্ছে।
অরুণ জেটলি বলেন, ভারত এত বড় ঋণ আর কোনো দেশকে এখনও দেয়নি, যা বাংলাদেশকে দিচ্ছে। যা সম্ভব হয়েছে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কারণেই। আর এই দুই দেশের সম্পর্কের মাত্রা যে কোন পর্যায়ে আছে প্রতিবছর দেড় মিলিয়ন মানুষের ভিসাপ্রাপ্তিই তা প্রমাণ করে। ভবিষ্যতেও এ সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে।
ভারতের অর্থনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারতের প্রধান উদ্দেশ্য এখন ক্যাশলেস ডিরেকশনে যাওয়া। যদিও এটি ভারতের জন্য চ্যালেঞ্জ, কেননা এটি একটি ক্যাশভিত্তিক দেশ। নরেন্দ্র মোদি সরকার এসেই ক্যাশলেস অর্থনীতি নিয়ে কাজ করা শুরু করে।
তিনি আরো বলেন, ‘দেশের ৪২ শতাংশ ব্যাংককই এর বাইরে ছিল। তাদের ক্যাশলেস সিস্টেমের আওতায় আনা হচ্ছে। এজন্য বেসরকারি ব্যাংক বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ’
অরুণ জেটলি বলেন, প্রতিটি পরিবার যেনো একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে সেজন্য ৩০ কোটি পারিবারিক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে, যার ৭৮ শতাংশ জিরো ব্যালেন্সে। এটি ভুর্তকি দিয়েই শুরু হয়েছে। তিনি আরো বলেন,
ভারতের মতো দেশ যে সন্ত্রাসে আক্রান্ত হয়, সেখানেও নগদ টাকায় লেনদেন হয়। বেনামি সম্পদ কেনাবেচা হয় নগদ টাকায়, যেটি একটি বেআইনি কাজ।
‘নগদ টাকার দিন শেষ’-এ কথা উল্লেখ করে ভারতের অর্থমন্ত্রী বলেন, নগদ টাকার দিন শেষ, এখন আপনার কাছে যা আছে সবই ঘোষণা দিতে হবে। ব্যাংকের মাধ্যমে কাজ লেনদেন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতও।
Sylhetnewsbd Online News Paper