সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি থেকে ইরানে সহিংস বিক্ষোভ ও দাঙ্গা শুরুর চার দিন পর এক বক্তব্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি সহিংসতাকে অগ্রহণযোগ্য বলে সতর্ক করেছেন। তবে জনগণের প্রতিবাদ করার অধিকার আছে বলে তিনি স্বীকার করেছেন। প্রেসিডেন্ট রুহানি চুপ থাকলেও অবশেষে তিনি তার মৌনতা ভেঙে একে ২০০৯ সালের গণবিক্ষোভের পর সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
টানা চার দিনের মতো তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভকারীরা মিছিল করেছে। এতে সহিংসতায় এখন পর্যন্ত দুজন নিহত হওয়ায় খবর পাওয়া গেছে।
সরকারি প্রচার মাধ্যমের মতে, রুহানি মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে বলেছেন, সমালোচনা এমনকি প্রতিবাদ জানানোর জন্যে জনগণ নিরঙ্কুশভাবে স্বাধীন। কিন্তু সহিংসতা ও জনগণের সম্পদ নষ্ট ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, জনগণকে সরকারের বৈধ সমালোচনা ও প্রতিবাদের সুযোগ দেওয়া উচিত।
আন্দোলনকারীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে সংগঠিত হচ্ছে, এ যোগাযোগ ঠেকাতে কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো বন্ধ করে দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী মাশাদে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা দেশটির অর্থনীতির নাজুক পরিস্থিতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করে। তবে শিগগিরই তা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয় এবং ব্যাপক আকারে সারা দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে।
সূত্র : বিবিসি
Sylhetnewsbd Online News Paper