সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: পাকিস্তানের ছক্কা মানব শহীদ খান আফ্রিদির আজ ৩৮তম জন্মদিন। ১৯৮০ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের খাইবার এজেন্সিতে জন্মগ্রহন করেন তিনি। আফ্রিদি ১৯৯৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের হয়ে ২৭টি টেস্ট ম্যাচ, ৩৯৮টি ওডিআই ম্যাচ ও ৯৮টি টি-২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। ১৯৯৬ সালের ২রা অক্টোবর কেনিয়ার বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে এবং ১৯৯৮ সালের ২২শে অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওডিআই ক্রিকেটে তার অভিষেক ঘটে।
আফ্রিদিই একমাত্র ক্রিকেটার যার ভক্ত রয়েছে শত্রুদেশ ভারতেও। এমনকি ক্রিকেটবিশ্বে তাকে চেনেনা এমন মানুষ খুঁজে পাওয়ার কষ্টসাধ্য। একজন ক্রিকেটার যে কতটা ব্যালেন্সড হতে পারে তার প্রমাণ স্বয়ং আফ্রিদি।
অনেকের প্রশ্ন, কেন আফ্রিদি এতটা জনপ্রিয়? আর এমন প্রশ্নের দ্বার উম্মোচনের চেষ্টা করেছে গোনিউজ। আজ পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো আফ্রিদি জানা অজানা অনেকগুলো রেকর্ড ও গুণের কথা। যা যে কাউকে চমকে দিতে কার্যকর।
১. আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে জ্যাক ক্যালিস ও আফ্রিদির ১০ হাজার প্লাস রান ও পাঁচশ’র বেশি উইকেট রয়েছে।
২.আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে আফ্রিদির রান আট হাজার ৬৪ এবং তার উইকেট সংখ্যা ৩৯৫টি।

৩. আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আফ্রিদির রান সংখ্যা ১৪০৫ এবং তার উইকেট সংখ্যা ৯৭। প্রথম ব্যাক্তি হিসেবে ১০০০ রান ও ৫০ উইকেট পাওয়ার গৌরভ তারই দখলে।
৪. ওডিআই ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বাধিক ছক্কা হাঁকানোর সম্মানের অধিকারী আফ্রিদি। তার ছক্কা ৩৫১টি এবং স্ট্রাইকরেট ১১৭.২।
৫. ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ১৪ রান দিয়ে চার উইকেট অর্জন করেন আফ্রিদি। কোন অধিনায়ক হিসেবে এটাই বেস্ট ফিগ্যার।
৬. ২০১৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে আফ্রিদির বোলিং ফিগ্যার ছিল ৭/১২। যা ওডিআই ফরম্যাটের দ্বিতীয় সেরা বোলিং।৭. বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০ বারের বেশি ছক্কা হাঁকিয়েছেন আফ্রিদি।
৮. ১৮ বলে প্রথম দ্রুত হাফসেঞ্চুরিয়ানের তালিকাটিও আফ্রিদির কব্জায়। এরপর তার নবম ওয়ানডেতে ফিফটি আসে ২১ বলে।

৯. ক্রিকেটে শূন্যে রানে আউট হাওয়ার ক্ষেত্রেও আফ্রিদির নাম রয়েছে। তবে এখানে সবার আগে নাম লঙ্কান লিজেন্ড সনাৎ জয়সুরিয়ার। তিনি ৩৪ বার অর্ধশতক হাঁকিয়েছেন।
১০.১৯৯৬ সালে লঙ্কানদের বিপক্ষে ৩৭ বলে সেঞ্চুরি হাঁকান আফ্রিদি। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর।
১১. ৯৮ টি টোয়েন্টি ৯৭টি উইকেট শিকার করেছেন আফ্রিদি।
১২. ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশিবার (৩০০) ছক্কা হাঁকিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়ক। দ্বিতীয়স্থানে রয়েছে জয়সূরিয়া। তার ছক্কা সংখ্যা ২৭০টি।
১৩. আর্ন্তজাতিক ক্রিকেটে তিন ফরম্যাটে ৪৭৬টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন আফ্রিদি। আর এটাই ক্রিকেট বিশ্বে সর্বোচ্চ। এর পরের অবস্থান ক্রিস গেইলের। তিন ফরম্যাটে তার ছক্কার সংখ্যা ৪৫৪।
১৪. পাকিস্তানি প্লেয়ারদের মধ্যে একমাত্র আফ্রিদি মোট ৫০০টির অধিক আর্ন্তজাতিক ক্রিকেট ম্যাচ খেলেছেন।
তথ্যসূত্র-ক্রিক ট্যাকার
Sylhetnewsbd Online News Paper