সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: ২০০৩ সালে লিবিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তরের ঘোষণা দিয়ে বিশ্বকে বিস্মিত করে দিয়েছিলেন দেশটির নেতা কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফি। পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করার অল্প কয়েক মাসের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র লিবিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কও পুনঃস্থাপিত হয়।
এর আট বছর পর নেটো সমর্থিত বিদ্রোহী ও আধাসামরিক গোষ্ঠীর হাতে ক্ষমতাচ্যুত হন গাদ্দাফি। বিদ্রোহীদের হাতে আটক হওয়ার পর তাকে হত্যাও করা হয়।
এদিকে উত্তর কোরিয়া পরমাণু পরীক্ষা না থামালে তাদের পরিণতি লিবিয়ার মতো হবে বলে হুশিয়ার দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে সম্মত হলে কিম জং উন অবশ্যই ক্ষমতায় থাকবেন। তবে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ না মানলে লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির মতো তার অবস্থা হবে। খবর আলজাজিরা।
তবে ট্রাম্প এও জানান, তিনি এখনও বিশ্বাস করেন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা হবে।
ট্রাম্পের বক্তব্যের অগে উত্তর কোরিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন বলেছেন, পিয়ংইয়ংয়ের অ-পারমাণবিকীকরণের ক্ষেত্রে লিবিয়া মডেল অনুসরণ করা হতে পারে।
জন বোল্টনের এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে উত্তর কোরিয়। পিয়ংইয়ং বলছে, যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে কেবল উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগে চাপ দিতে থাকলে ট্রাম্পের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সিঙ্গাপুরে আগামী মাসে যথাসময়েই কিমের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং জন বোল্টন এর দেওয়া লিবিয়া মডেলের উদাহরণ উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনকে আতঙ্কিত করতে পারে বলে মনে করেন।
Sylhetnewsbd Online News Paper