বাংলাদেশের রেকর্ডময় জয়, মুশফিকের সামনে শুধুই বিরাট কোহলি

সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ১৩৭ রানে হারিয়ে দুরন্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ। শুরু থেকেই বাংলাদেশের ইনিংসে ছিল অনেক নাটকীয়তা। আর শেষ চমক দেখিয়েছেন এক হাতে ব্যাট করে তামিম। আর ১৪৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে চমক দেখিয়েছেন মুশফিকুর রহিম।

দারুণ এই জয়ের দিনে দলগত ও ব্যক্তিগত বেশকিছু রেকর্ড হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দেশের বাইরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়। ২০১৩ সালে জিম্বাবুয়েতে ১২১ রানের জয় ছিল এর আগে দেশের বাই সর্বোচ্চ। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ। আর দেশের মাটিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ১৬৩ রানের জয রয়েছে এই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই।

বাংলাদেশের করা ২৬১ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কা অলআউট হয় মাত্র ১২৪ রানে। বাংলাদেশের বিপক্ষে এটিই তাদের সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড। এর আগে ২০০৯ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বনিম্ন ১৪৭ রান করেছিল লঙ্কানরা।

এই ম্যাচে একহাত দিয়ে খেলে তামিম দেখিয়েছেন অনন্য এক বীরত্ব। আর ১৫০ বলে মুশফিক খেলেছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ ১৪৪ রানের ইনিংস। ওয়ানডেতে তার ষষ্ঠ। দেশের বাইরে তৃতীয়। এশিয়া কাপে দ্বিতীয়। আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম।

সেই সুবাদে এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ১৪তম আসরের প্রথম ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে ১৪৪ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। যা এশিয়া কাপের ইতিহাসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের দিক দিয়ে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তার সামনে রয়েছেন শুধু ভারতের অধিনায়ক ১৮৩ রান করা বিরাট কোহলি।

মুশফিকুরের মতই এশিয়া কাপে ১৪৪ রানের ইনিংস খেলেছেন পাকিস্তানের সাবেক খেলোয়াড় ইউনিস খান। ২০০৪ সালে কলম্বোতে হংকং-এর বিপক্ষে ১২২ বলে ১৪৪ রান করেন ইউনিস।

এশিয়া কাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস ভারতের বিরাট কোহলির। ২০১২ সালে ঢাকায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৪৮ বলে ১৮৩ রানের ইনিংস খেলেন ভারতের নিয়মিত অধিনায়ক কোহলি। তবে এশিয়া কাপের এবারের আসরে খেলছেন না কোহলি।

ওয়ানডেতে প্রথম ১০ বারের মুখোমুখি লড়াইযে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ তিনবারের দেখায় বাংলাদেশই জিতেছে দু’বার। সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের এটি ছিল ২৩ বছর পর খেলা। ১৯৯৫ সালে এশিয়া কাপেই সবশেষ এখানে খেলে টাইগাররা। যেখানে তিন ম্যাচের সবক’টিতেই হেরেছিল তারা। এবার প্রায় দুই যুগ পর আমিরশাহীতে যেন রাজকীয় প্রত্যাবর্তনই হলো লাল-সবুজদের।