সিলেট নিউজ বিডি ডেস্কঃ ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বিপিএল ফাইনাল। ১৩ ফেব্রুয়ারি নেপিয়ারে বাংলাদেশ দলের প্রথম ওয়ানডে। মাঝখানে চারটি মাত্র দিন। বিপিএল ফাইনাল যারা খেলবেন, সেই সব বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের নিউজিল্যান্ড সফরের প্রস্তুতির সময়টা কাটবে বিমানে!
ইতোমধ্যে অবশ্য অনেক ক্রিকেটার বিপিএল থেকে বাদ পড়েছেন। তাদের কিছু কিছু ক্রিকেটার আগামীকালই নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা দেবেন।
আগামীকাল যান, আর ৯ তারিখ; বিশ্রাম বা নিউজিল্যান্ড সফর সামনে রেখে অনুশীলনের সেই সময়টা ক্রিকেটাররা পাচ্ছেন না। ফলে ক্লান্তি এবং অপ্রস্তুত অবস্থা নিউজিল্যান্ড সফরে বাংলাদেশকে বিপদে ফেলতে পারে।
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও দলের অন্যতম প্রাণভোমরা মুশফিকুর রহিম অবশ্য বলছিলেন, এতে খুব একটা সমস্যা জাতীয় দলের হবে না। কারণ হিসেবে তিনি বলছেন, দলের খেলোয়াড়রা খেলার মধ্যেই ছিলেন।
আরেকটু বিশ্রাম বেশি হলে ভালো হতো, এটা মেনে নিয়েও মুশফিক বলছিলেন, ‘একটা সপ্তাহ যদি ব্রেক পাওয়া যায়, তাহলে মোটামুটি ভালো হয়। কিন্তু সাত দিন আছে। কাভার করতে হবে। কারণ আমরা পেশাদার ক্রিকেটার। ম্যাচের মধ্যে থাকলে আত্মবিশ্বাস ভালো থাকে। এর চেয়ে ভালো কোনো প্রস্তুতি হতে পারে না।’
আর এই স্বল্প সময়ে নতুন করে প্রস্তুতি নেওয়ার সময় বা প্রয়োজনীয়তা মুশফিক দেখছেন না। তিনি বলছেন, এই সময়ে খুব একটা গবেষণা তিনি অন্তত করবেন না।
তিনি বিশ্রাম শেষ করেই আবার খেলায় ঢুকে যাওয়ার পক্ষে, ‘এখন প্রস্তুতির কিছু নেই। যেই কয়দিন সময় আছে একটু বিশ্রাম নিতে হবে। এরপর সুইচ অন করতে হবে। আর আমার পারফর্মেন্স নিয়ে আমার না আপনাদের বলা উচিত। আমি বেশি গবেষণা করি না। আমি শুধু চেষ্টা করি। অবশ্যই ইচ্ছা ছিল যে আজকের দিনটায় কন্ট্রিবিউট করতে পারি। যেন একটা ম্যাচ উইনিং ইনিংস খেলতে পারি। তবে ওভারঅল আগের যে কোনো টুর্নামেন্টের চেয়ে একটু হ্যাপি। কিছু কিছু জায়গা অনেক কঠিন অবস্থা ছিল, যেখান থেকে বের হয়ে আসা এবং নিজের কাছেই নিজেকে প্রমাণ করা যে আমি গুড এভাফ। নিজের কাছে যেই যুদ্ধটা ছিল সেদিক থেকে একটু সন্তুষ্ট, বেশি না।’
নিজেদের প্রস্তুতি নিয়ে নির্ভার থাকলেও মুশফিক মানছেন যে, নিউজিল্যান্ড সফর খুব কঠিন হতে যাচ্ছে। তিনি বলছিলেন, ‘নিউজিল্যান্ড চ্যালেঞ্জ অনেক কঠিন। ওয়ানডে ফরম্যাট, ইন্ডিয়া জিতে গেছে কিন্তু তাঁরা ভালো লড়াই করেছে। আমার বিশ্বাস আছে আমাদের যেই দল যাবে তারা ভালো করবে।’
তবে মুশফিক মনে করেন, নিউজিল্যান্ড সফরে অন্তত ওয়ানডেতে তাদের জয় পাওয়ার ভালো একটা সম্ভাবনা আছে। আগের সফরের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলছিলেন, ‘তা তো অবশ্যই। আপনি নিশ্চয় খেয়াল করলে দেখবেন যে, আমরা সর্বশেষ যখন সেখানে গিয়েছিলাম তখন কিন্তু আমরা দুইটা ওয়ানডেতে খুব কাছে গিয়ে হেরে গিয়েছিলাম, যা আমাদের জেতা উচিত ছিল। কারণ নেলসনে যে ওয়ানডে বা ক্রাইস্টচার্চে যেটা ছিল, আমরা যদি আরও একটু ভালো খেলতে পারতাম তাহলে কেউ জানে না কী হতো। আমার মনে হয় এটা বিশ্বকাপের আগে আমাদের জন্য খুব ভালো একটা প্রস্তুতি হবে। এখানে কিছু হাই স্কোরিং ম্যাচ হতে পারে। সে দিক থেকে আমি মনে করি এটা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হবে।’
Sylhetnewsbd Online News Paper