পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী(সা) উপলক্ষে সৌদিআরবে আলোচনাসভা অনুষ্টিত

মস্তফা উদ্দিন: পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী (সা) উপলক্ষে সৌদি আরবে বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ দাম্মাম প্রাদেশিক শাখার উদ্যোগে দাম্মাম শহরের প্যারাগণ হোটেলে এক আলোচনাসভা ও মীলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২২ নভেম্বর শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর দাম্মাম শহরের প্যারাগণ হোটেলে দাম্মাম প্রাদেশিক শাখার সভাপতি সলিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবুবকর নোমান এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আল ইসলাহ দাম্মাম শাখার প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা মাহবুবুর রাহমান।

প্রধান অতিথি বলেন_রাসূলে খোদা (সা.)-এর জীবন-চরিত্র, সুন্নাহ হলো আল্লাহর কুরআনের বাস্তব দিক। যারা এ সুন্নাহর পুরোপুরি অনুসরণ করবেন, এ সুন্নাহকে বাস্তবায়ন করার কাজে ব্রতী হবেন তাঁদের জন্যই হবে রাসূলের জন্ম দিবস আনন্দের।

যারা প্রতিবছর ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.)-কে কেন্দ্র করে নিজের, পরিবারের, সমাজ ও রাষ্ট্রের সার্বিক কাজ-কর্মকে রাসূলের জীবনের সাথে মিলাবেন সে আয়নায়, নিজেদেরকে দেখবেন, নিজেদের দোষ-ত্রুটি চিহ্নিত করে পরবর্তী বছরের জন্য প্রস্তুতি নেবেন তাঁদের জন্য হবে এ দিবস ঈদের দিন।

যে ব্যক্তি সুদী কারবার করে, ঘুষ খায়, ঘুষ দেয়, ঘুষের লেনদেনে জড়িত, যে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে প্রশাসনে দুর্নীতি করে, যে ব্যবসা-বানিজ্যে পরকে ঠকানোর ব্যবস্থা করে, যে মালিক অন্যায়ভাবে তার শ্রমিকদের ঠকায় ও শ্রমের মর্যাদা দেয় না, যে শ্রমিক কাজে ফাঁকি দেয় তারা রাসূলের উম্মত হতে পারেনা।

আল্লাহর প্রকৃত বান্দা হতেহলে তার প্রিয় হাবিবের সুন্নতকে মেনে চলতে হবে, নামাজ পড়তে হবে, হিংসা দূরকরতে হবে একে অন্যদের প্রতি হানাহানি দূর করতে হবে, অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হবে, পিতা-মাতার খেদমত করতে হবে, গরিব অসহায় মানুষদের কে সাহার্য করতে হবে, এগুলো যাদের মধ্যে বিদ্ধমান রয়েছে তাদের জন্য ঈদে মীলাদুন্নবী পালনে রয়েছে সার্থকথা, আসুন আমরা সকলে রাসূলের আর্দশকে সমাজে প্রতিষ্টিত করি ও নিজে মেনে চলি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দাম্মাম আল ইসলাহ শাখার উপদেষ্টা শিপলু বখস্ ও মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আল ইসলাহ দাম্মাম শাখার অর্থ সম্পাদক বেলাল আহমেদ বেলালী।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা সুহেল আহমেদ,আলী আহমেদ চৌধুরী টিপু, জুনেদ আহমদ চৌধুরী শিপু, আলী আমজদ, শিহাবুদ্দিন চৌধুরী, বুরহান উদ্দিন, আব্দুর রহিম, আব্দুল মালিক, রুমেল আহমেদ, আব্দুল মুক্কুছ, শাহিন আহমেদ, ইসলাম উদ্দিন, আনওয়ার আহমেদ, ওয়াহিদুল ইসলাম, এরশাদ আহমেদ, সিরাজ আহমেদ, আব্দুর রাহমান, নাদিম মাহমুদ, খুকন মিয়া, ছালেহ আহমেদ, আক্তার মিয়া, লিলু মিয়া, আজমল মিয়া, হাফিজ মাহমুদুল হাসান গোলাপ মিয়া, জাকির হুসেন, হাসিব আহমেদ, হেলাল আহমেদ, শাফাত হুসেন, মিলন আহমেদ, মাহি আহমেদ ও রিপন আহমেদ প্রমুখ।

অনুষ্টানে কালাম-পাক থেকে তিলাওয়াত করেন আলী আমজদ, হামদে বারিতালা ও নাতে রাসুল এবং গজল পরিবেশন করেন আবু বকর নোমান।

মীলাদ শরীফ ও দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মাহবুবুর রহমান।