সিলেট নিউজ বিডি ডেস্কঃ কে যে মধ্যবিত্ত মানুষ – আর কে যে নিম্নবিত্ত মানুষ হিসাব মিলানো অনেক কষ্টকর। নিম্নে সিলেট নিউজ পাঠকদের জন্য বিস্তারিত তুলে ধরা হলঃ
✅ একজন সিএনজি চালকের দৈনিক আয় গড়ে এক হাজার টাকা। আর দোকান কাজ করা আরেকজন লোকের দৈনিক আয় গড়ে ৩০০টাকা। সিএনজি চালক নিম্নবিত্ত কিন্তু দোকানে কাজ করা লোকটি মধ্যবিত্ত।
✅ আবার রিক্সা চালকের দৈনিক আয় ৫০০-৮০০ টাকা। আরেকজন রেমিট্যান্সের উপর নির্ভরশীল বেকার ছেলের দৈনিক আয় শূণ্য পয়সা। রিক্সা চালক নিম্নবিত্ত কিন্তু বেকার ছেলেটা মধ্যবিত্ত।
✅ আমাদের সমাজে মধ্যবিত্ত আর নিম্নবিত্তের মধ্যে পার্থক্য নির্ভর করে কাজের ধরনের উপর। কে কতো টাকা আয় করলো সেটা নিয়ে কারো মাথা ব্যথা নেই। ত্রান বিতরণের সময় এই ব্যাপার খুব বেশী লক্ষ্য করা যায়। আমরা যাদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে গরীবদের ত্রান সামগ্রী দিয়ে থাকি তাদের অনেকের থেকে সেই গরীব লোকের দৈনিক আয় বেশি।
✅ করোনা ভাইরাসের জন্য যেদিন থেকে লকডাউন ঘোষণা করা হলো তখন আমরা রাস্তায় রাস্তায় রিক্সা চাকদের ত্রান দিয়েছি। কিন্তু যেই ছেলেটা ত্রান বিতরণ করছে তার থেকে রিক্সা চালকের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেক ভালো। রিক্সা চালকেরা স্বভাবগত গরীব। আর আমরা হলাম স্বভাবগত ধনী। সে সহজেই হাত পাততে পারে আমরা পারি না।
✅ এই সমাজে কাজের শ্রেণীর উপর নির্ভর করে ধনী-গরিব নির্ধারণ করা হয়। একজন চা বিক্রেতা যে দৈনিক ১০০০ কাপ চা বিক্রি করে তাকেও চাকরি করা ছেলেটা গরীব মনে করে। আসলে গরীব কে? যে চা বিক্রি করে মাসে ৩০ হাজার টাকা রোজগার করে সে নাকি যে চাকরি করে করে ১৫ হাজার টাকা বেতন পেয়ে খুব ভালো কাপড়চোপড় পড়ে চলা ফেরা করে সে।
✅ সমাজে চলতে গিয়ে দেখেছি মানুষ কতটা মিথ্যে অহংকারী। কাজের শ্রেনী বিভাগ করে আমরা কোন কাজকে করেছি ছোট আবার কোন কাজকে করেছি বড়। আর এই কাজের উপর নির্ভর করেই আমরা ঠিক করি যে কে নিম্নবিত্ত, কে মধ্যবিত্ত আর কে উচ্চবিত্ত। কিন্তু কার দৈনিক আয় কতো সেটা দেখি না। কালেক্টেড
Sylhetnewsbd Online News Paper