চট্টগ্রাম বন্দরে টানা ধর্মঘট: প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

গত ৪ দিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে টানা ধর্মঘটের কারণে তৈরি পোশাক রফতানিতে যে লোকসান হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।

শুক্রবার(30september) বিকেলে বিজিএমইএ ভবনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

সিদ্দিকুর রহমান বলেন, দেশের প্রধান রফতানি পণ্য পোশাক শিল্পের রফতানি-আমদানি কার্যক্রম ৮০ ভাগই সম্পাদিত হয় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর দিয়ে। এই অতি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ব্যবহার আজ প্রশ্নের সম্মুখীন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দাবি দাওয়া তুলে এ বন্দরকে অচল করে ফেলা হয়েছে। যার সর্বশেষ উদাহরণ হচ্ছে গত ৪ দিনের প্রাইম মুভার ও ট্রেইলার ধর্মঘট। আর এর চরম মাশুল দিতে হচ্ছে তৈরি পোশাক শিল্প খাতকে।

তিনি বলেন, গত ৪ দিনে কন্টেইনারবাহী গাড়ির মালিক ও শ্রমিকদের টানা কর্মবিরতির কারণে পণ্য খালাস করতে না পারায় কন্টেইনার ভাড়া বাবদ বন্দর ও জাহাজ কোম্পানিকে জরিমানা দিতে বাধ্য হয়েছেন আমাদের উদ্যোক্তারা। কয়েক হাজার কোটি টাকার শিপমেন্ট বাতিল হয়েছে।

এতে গত ৪ দিনের কর্মবিরতিরতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে পোশাক খাতের মালিকদের। তাই তৈরি পোশাক রফতানিতে যে লোকসান হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

তিনি আরো বলেন, বন্দরে অচলাবস্থা সৃষ্টি হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তৈরি পোশাক শিল্প। আমরা সরকারকে, বিশেষ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, বন্দর কর্তৃপক্ষ সবাইকে অনুরোধ করছি এ ব্যাপারে আগামী ৪ অক্টোবরের মধ্যে একটি ঐক্যমত আসার জন্য। যাতে করে আগামীতে বন্দরে এ ধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।