ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে আলোচিত সৌরভ-চ্যাপেল

সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: ভারতের ক্রিকেটের সবচেয়ে বাজে সময় হিসেবে বার বার উল্লেখ করা হয় কোচ গ্রেগ চ্যাপেলের যুগকে। তার সময়ে দলের মাঝে অন্তর্দন্দ্ব এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, অনেক সিনিয়র ক্রিকেটারদের সঙ্গে বিবাদ লেগে গিয়েছিল কোচ চ্যাপেলের।

দায়িত্ব নিয়েই সৌরভ গাঙ্গুলীকেই সরিয়ে দিতে উদ্যোগী হন চ্যাপেল। ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে সৌরভ-চ্যাপেল অধ্যায় বহু আলোচিত।
যে সৌরভের হাত ধরে ২০০৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছিল ভারতীয় দল। তাকেই নিশানা করেছিলেন গ্রেগ। তবে দলের বাইরে গিয়েও দুর্ধর্ষ কামব্যাক করেছিলেন কলকাতার মহারাজ। ক্রিকেট তথা ক্রীড়া দুনিয়ায় যা সেরা কামব্যাকগুলোর মধ্যে যা অন্যতম। কিন্তু সৌরভের এই কামব্যাকের পেছনে বড় অবদান রয়েছে পাকিস্তানি গ্রেট ইমরান খানের! সম্প্রতি একটি সাক্ষাতকারে অনেকদিন আগের সেই ঘটনা প্রকাশ করেন সৌরভ।

তার ভাষায়, ‘২০০৬ সালের দিকের ঘটনা। সেই সময় আমি এতটাই রেগে ছিলাম যে ইডেনে দৌড় শুরু করেছিলাম।

২১টা ল্যাপ দৌড়েছিলাম আমি। শেষের ৬-৭টা ল্যাপ রাগের কারণেই। ‘
ঘটনাচক্রে ওই সময়ই লাহোরে ইমরান খানের সঙ্গে দেখা হয় সৌরভের, ‘ওই সময় লাহোরে ইমরান খানের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। ভারতীয় ক্রিকেট সম্পর্কে সব খবরই তার কাছে ছিল। উনি আমায় বলেছিলেন, যখন তুমি উচ্চতায় পৌঁছে যবে তখন তোমার চারপাশে কালো মেঘ ঘিরে ধরবে। আরও উঁচুতে পৌঁছতে হলে, ওই মেঘ কাটিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। ‘

সাবেক ভারত অধিনায়ক তখন ইমরান খানকে বলেন, ‘সারাজীবন আপনার এই কথাগুলো আমি মনে রাখব। ‘

প্রসঙ্গত, শুধু সৌরভই নন, শচীন টেন্ডুলকার, জহির খান, বীরেন্দ্র শেবাগসহ একাধিক ক্রিকেটারের সঙ্গে সমস্যা তৈরি হয়েছিল কোচ গ্রেগ চ্যাপেলের। আত্মজীবনী ‘প্লেয়িং ইট মাই ওয়ে’ তে গ্রেগ চ্যাপেলকে একহাত নিয়েছিলে খোদ শচীন টেন্ডুলকার। চ্যাপেলকে ‘রিং মাস্টার’ বলেও তুলোধোনা করেছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার।