মো: মামুনুর রশিদ,আন্তর্জাতিক রিপোর্টার, সিলেট নিউজ বিডি: যেখানেই যাচ্ছেন, জোড়া বেধে যাচ্ছেন। তুলছেন একটার পর একটা সেলফি। চারপাশ মাতিয়ে রাখছেন। এমন জোড়ার দিকে সবাই আগ্রহ নিয়েই তাকাবে। তাকাচ্ছেও। কিন্তু সেটা করতে গেলে শুরুতে ভ্যাবাচ্যাকাই খেতে হচ্ছে! কিম জন উন ও ডোনাল্ড ট্রাম্পকে একসঙ্গে দেখলে অবশ্য সেটা হওয়াই স্বাভাবিক!
শুধু তাই নয়, দাঁ-কুমড়া সম্পর্কের দুই রাষ্ট্রপ্রধান এবারের শীতকালীন অলিম্পিকে হুমকি-পাল্টা হুমকির বদলে ছড়াচ্ছেন শান্তির বার্তাও! শুক্রবার পর্দা উঠেছে ২০১৮ শীতকালীন অলিম্পিক আসরের।
সেখানে কিম ও ট্রাম্প যে শান্তির বার্তা ছড়াচ্ছেন, সেটা সত্যিই! তবে আসল কিম ও ট্রাম্প নন তারা। চেহারায় দেখতে অনেকটা নর্থ কোরিয়ান নেতা কিম ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান ডোনাল্ড ট্রাম্পের মত হওয়ায় সুযোগটা ভালভাবেই নিচ্ছেন ওই দুই ভদ্রলোক। একসঙ্গে দেখতে এসেছেন সাউথ কোরিয়ার শুরু হওয়া শীতকালীন অলিম্পিক। সেখানেই ঘটাচ্ছেন নানা কাণ্ড!
সাউথ কোরিয়ার মাটিতে পা রাখার পর থেকেই বেশ ভাল নিরাপত্তাও দেয়া হচ্ছে কিম ও ট্রাম্পের নকলকে। যদিও রাজকীয় এমন ব্যবস্থায় খুশি নন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিমের নকল, ‘আমরা দুজন এক হয়ে গেলে দারুণ কিছুই ঘটবে। আমরা বিশ্বকে চমকে দিতে চাই এবং শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাই। আমাদের সঙ্গে সবসময় নিরাপত্তা কর্মীরা থাকছে। এটা কিন্তু একদমই ঠিক নয়। আসলে কে না শান্তিতে থাকতে চায় বলুন?’
কিম এবং ট্রাম্পকে একসঙ্গে এভাবে দেখলে খুশিই হতো বিশ্ব
শুধু এ দুজনই যে এবারের শীতকালীন অলিম্পিক জমিয়ে তুলেছেন এমনটিও নয়। পিয়ংচ্যাঙ্গে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রচণ্ড শীতের মাঝে খালি গায়ে দেশের পতাকা বহন করে বিশ্বকে দ্বিতীয়বারের মত চমকে দিয়েছেন দ্বীপরাষ্ট্র টোঙ্গার অ্যাথলেট পিটা তাওফাতোওফা। ২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকেও হাজির হয়েছিলেন পিটা।
নিজেকে ভালভাবে তেল দেয়া মেশিনের সঙ্গে তুলনা করে পিটার দাবি, তার কখনোই শীত লাগে না, ‘আমার কখনোই শীত লাগে না। আমরা প্রশান্ত মহাসাগরের এপার-ওপার চষে বেড়াই। আমাদের কাছে এটা কোন ব্যাপারই না।’
রিও অলিম্পিকের পর দ্বিতীয়বারের মত বিশ্ব মঞ্চে খালি গায়ে পিটা
দেশকে ভালোবেসে এমন উন্মাদনা অতি ক্ষুদ্র বলেও দাবী পিটার, ‘এখানকার তুলনায় রিওতে একটু শীত কম ছিল। তবে, দেশের জন্য অন্যরকম কিছু করার মানসিকতা সবসময়ই আপনার মাঝে থাকতে হবে।’
Sylhetnewsbd Online News Paper