সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: কোরীয় দ্বীপে আর কোনো যুদ্ধ হবে না। এখান থেকেই শান্তির নতুন সূচনা হলো। যৌথ এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কোরীয় দ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে সম্মতি জানিয়েছেন দুই কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট। তারা কোরীয় দ্বীপে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিও সম্মতি জানান।
এর আগে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী বেসামরিক এলাকা পানমুনজামের পিস হাউজে আলোচনা শুরু হয় দুই নেতার মধ্যে। তার আগে সকাল সাড়ে ৯টায় দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশ করেন উত্তর কোরীয় নেতা। এ সময় তাকে স্বাগত জানান ইন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, প্রথম পর্বের আলোচনা শেষে কিম লাঞ্চের জন্য একটি কালো রংয়ের লিমোজিন গাড়িতে করে উত্তর কোরিয়ায় ফেরেন। এ সময় বডিগার্ডরা তার গাড়িটি ঘিরে রাখে।
দুই দেশের মধ্যে বৈঠকের কর্মসূচি নিয়ে এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ইম জং সিয়ং সাংবাদিকদের জানান, আলোচনার প্রথম দফা শেষে উভয় নেতা আলাদাভাবে দুপুরের খাবার খাবেন। এ সময় উত্তর কোরীয় নেতা তার প্রতিনিধি দলসহ নিজ দেশের সীমান্তে ফিরে আসবেন।
এরপর দ্বিতীয় পর্বের আলোচনা শুরু হবে এবং একটি চুক্তি ও যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে আলোচনার পর্ব শেষ হবে। এরপর দক্ষিণ কোরিয়ার দেওয়া এক নৈশভোজে অংশ নেবেন কিম জং উন। এরপর কিমের ফিরে আসার আগ পর্যন্ত দুই নেতা ‘স্প্রিং অব ওয়ান’ (এক বসন্ত) শীর্ষক একটি ভিডিও দেখবেন।
উল্লেখ্য, আজকের এ বৈঠকের মাধ্যমে ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের অবসানের পর এ প্রথম দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্ত অতিক্রম করলেন উত্তর কোরিয়ার কোনো নেতা। আর দুই কোরিয়ার ভাগ হওয়ার পর উভয়পক্ষের মধ্যে এটি হচ্ছে তৃতীয়
বৈঠক। এর আগে ২০০০ ও ২০০৭ সালে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বৈঠক হয়।
Sylhetnewsbd Online News Paper