সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শেষ হচ্ছে রোববার মধ্য রাত থেকে। এদিকে ভোটের দুই দিন আগে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে ১৬ প্লাটুন আধা সামরিক বাহিনী (বিজিবি)।
রোববার সকাল থেকে খুলনার প্রধান সড়কগুলোতে বিজিবিকে টহল দিতে দেখা যাচ্ছে।
খুলনার জেলা প্রশাসক আমিন উল আহসান জানান, সকাল থেকে ১৬ প্লাটুন বিজিবি মাঠে নেমেছে। এছাড়া ভোট কেন্দ্র ও নির্বাচনী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা ও নির্বাচনী আচরণবিধি মানা নিশ্চিত করতে ৩১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
সকাল থেকে তারা নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া আগামীকাল সোমবার ১০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (বিচারিক হাকিম) দায়িত্ব পালন করবেন।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার সোনালী সেন বলেন, নির্বাচনে সাড়ে নয় হাজার পুলিশ, বিজিবি, এপি ব্যাটেলিয়ান ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে পুলিশের পাশাপাশি ১৬ প্লাটুন বিজিবি, সাড়ে চার হাজার আনসার-ভিডিপি সদস্য থাকবে।
নির্বাচনের ঝুঁকিপূর্ণ (গুরুত্বপূর্ণ) কেন্দ্রে ২৪ জন এবং সাধারণ কেন্দ্রে ২২ জন করে পুলিশ ও আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া পুলিশের ৭০টি টিম দায়িত্ব পালন করবে।
প্রত্যেক ম্যাজিস্ট্রেটের টিমের সাথে একটি করে পুলিশের টিম থাকবে। আটটি মোটর সাইকেল টিম এবং ১১টি পিকেট টিম দায়িত্ব পালন করবেন।
র্যাব-৬ এর অধিনায়ক খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক নির্বাচনে র্যাবের ৩২টি দল দায়িত্ব পালন করবে। যার প্রতিটি টিমে আট জন সদস্য থাকবে। এছাড়া চারটি স্টাইকিং ফোর্স থাকবে। একেকটি দলে ১০ জন করে থাকবে।
খুলনায় এবার মেয়র পদে পাঁচ জন প্রার্থী লড়াই করছেন। এরা হলেন নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের তালুকদার আব্দুল খালেক, ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির শফিকুর রহমান মুশফিক, হাতপাখা প্রথীকে ইসলামী আন্দোলনের মুজ্জাম্মিল হক এবং কাস্তে প্রতীকে সিপিবির মিজানুর রহমান বাবু।
এছাড়া নগরীর ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৪৮ জন এবং ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৯ জন নারী কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
খুলনায় এবার মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৬ ও নারী ২ লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন।
Sylhetnewsbd Online News Paper