সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: জালভোট দেওয়ার পর খুলনা সিটি করপোরেশনের ৩০ নং ওয়ার্ডে দুটি ভোট কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়েছে। এগুলো হলো রূপসা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও রূপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র। এ নিয়ে দুটি কেন্দ্র এবং একটি বুথে ভোট স্থগিত হলো।
এর আগে একই ঘটনায় ২৪ নং ওয়ার্ডের সরকারি ইকবাল নগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে এবং ২২ নং ওয়ার্ডের ফাতিমা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে একটি বুথে ভোট বন্ধ করে দেয়া হয়।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রূপসায় বন্ধ হওয়া দুটি কেন্দ্রে গিয়ে বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু হাতে নাতে নৌকায় সিল দেওয়া ব্যালট পেপার জব্দ করেন। এরপর এই দুই কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়।
এই দুটি কেন্দ্রের মধ্যে রূপসা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঢুকে মঞ্জু দেখতে পান নৌকার সমর্থকরা জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এ সময় তিনি ১০০ সিল মারা ব্যালট পেপার কেড়ে নেন। পরে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ইবনুর রহমান সেখানে ভোট স্থগিত করেন।
সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার মোশাররফ হোসেন বলেন, অতর্কিত ১০ থেকে ১২ জন লোক রুমে প্রবেশ করে। তার আমার কাছে থাকা একশ ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে নৌকায় সিল মারে। পরে সেটা বক্সে ভরে চলে যায়। আমি বাধা দিলে তারা আমাকে হুমকি দেয়।
আরেক সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মাহাতাব উদ্দিন বলেন, কয়েকজন লোক এসে নৌকা সিল দিয়ে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু হাতিহাতির পর তারা সেগুলো বক্সের ভেতর দিতে পারেনি।
এই কেন্দ্রের পাঁচ নং বুথের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা উজ্বল কুমার পাল বলেন, আমার কাছে থাকা একশ ব্যালট পেপার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। বাধা দিলে তারা আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে।
জানতে চাইলে প্রিজাইডিং অফিসার ইবনুর রহমান বলেন, জাল ভোটের ঘটনা জানার পরই এই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকেও বিষয়টি জানিয়েছি। তাদের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছি।
পাশের রূপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও ভোট স্থগিত হয় একই কারণে। সেখানেও বিএনপির প্রার্থী মঞ্জু নৌকায় সিল দেওয়ার সময় ব্যালট পেপার ধরে ফেলেন।
সুত্র: গো নিউজ২৪
Sylhetnewsbd Online News Paper