সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: আবারও গাজা সীমান্তে নিজেদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে বিক্ষোভ করেছে ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীরা। এতে ইসরায়েলি বাহিনী গুলি ছুঁড়লে ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলে শতাধিক আহত হয় বলে জানা গেছে।
সীমান্ত বরাবর ৩০ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ‘মার্চ অব রিটার্ন’ এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবারের বিক্ষোভেও কয়েক হাজার তরুণ-যুবক অংশ নেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
ইসরায়েলের মার্কিন দূতাবাস তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে সরিয়ে নেওয়ার আনুষ্ঠিকতার সময় চলতি মাসের মাঝামাঝি বিক্ষোভ তুঙ্গে ওঠেছিল। বিক্ষোভের পাল্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে কেবল ১৪ মে-তেই ৬০ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছিলেন। এরপর থেকে সহিংসতার পরিমাণ কমে এলেও বিক্ষিপ্তভাবে বিক্ষোভ চলছেই।
৩০ মার্চ শুরু হওয়া এ বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ১১৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে ইসরাইলের কেউ হতাহত হয়নি। এর আগে গত বৃহস্পতিবার আহত দুই ফিলিস্তিনি মারা যান।
শুক্রবারের বিক্ষোভে বেশিরভাগ ফিলিস্তিনিই সীমান্ত বেষ্টনির ৮০০ মিটার দূরে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানান। কয়েক ডজন তরুণ বেষ্টনির একটি স্থানের ৩০০ মিটারের কাছাকাছি গিয়ে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। গাজার পূর্ব দিকের সীমান্তেও কিছু তরুণ সীমান্ত বেষ্টনির কাছাকাছি চলে এসে তা টেনে সরিয়ে ফেলার চেষ্টা চালায়।
প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলি বাহিনীর সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের দিকে তাজা গুলি ও কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। সৈন্যরা ইসরায়েলের মাটিতে নামার আগেই বেশ কয়েকটি ঘুড়িও গুলি করে ভূপাতিত করে। দখল করা এলাকায় ইসরায়েলি ফসলের ক্ষেত জ্বালিয়ে দিতে লেজের দিকে আগুন লাগিয়ে ঘুড়িগুলো উড়িয়েছিল ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভে অন্তত ১০ ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, সবমিলিয়ে ১০৯জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন গাজার স্বাস্থ্য কর্মীরা।
এদিনের বিভিন্ন বিক্ষোভে হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া ও দলটির গাজা অংশের শীর্ষ নেতা ইয়েহিয়া আল-সিনওয়ার অংশ নেন বলেও জানিয়েছে রয়টার্স। তাদের উপস্থিতি বিক্ষোভকারীদের আরও আন্দোলিত করে।

Sylhetnewsbd Online News Paper