সিটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি বিএনপির

সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক:তিন সিটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সঙ্গে বৈঠকে এ দাবি জানায় বিএনপির প্রতিনিধি দল।

বৈঠক শেষে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেয়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান সাংবাদিকদের বলেন, সেনাবাহিনীর উপর মানুষের আস্থা রয়েছে। আমরা কমিশনকে আবারো বলেছি, তিন সিটি নির্বাচনে অবিলম্বে সেনা মোতায়েন করা হোক।

তিনি বলেন, বিভিন্ন কারণে নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের অনাস্থা সৃষ্টি হয়েছে। আশা করি ভালো নির্বাচন দিয়ে তারা মানুষের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করবেন। গণতন্ত্রের যে ভিত্তি, তা শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় নির্বাচনকে ঘিরে নয়। স্থানীয় নির্বাচনেও তার গুরুত্ব রয়েছে। সে কারণে স্থানীয় নির্বাচনও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

সিইসির সঙ্গে বৈঠকে তিন সিটি নির্বাচনের বিনা কারণে গ্রেফতার না করাসহ ৬টি সুনির্দিষ্ট লিখিত দাবি দিয়েছে দলটি।

অন্যদিকে তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার ২৩ জুলাই প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী।

বৈঠক শেষে আবদুল মঈন খান সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার পর ইসির পক্ষে সাংবাদিকদের সামনে আসেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী।

তিনি বলেন, তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই বলে মনে করে ইসি। তাছাড়া সিসি ক্যামেরা গাজীপুরেও ব্যবহার করা হয়েছিল। সেক্ষেত্রে তিন সিটিতেও কিছু কেন্দ্রে ব্যবহার করা হবে।

এছাড়া বিএনপি যে তালিকা দিয়েছে সেটা খতিয়ে দেখা হবে, যে কাউকে বিনা কারণে গ্রেফতার করা হয়েছে কিনা। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে পরোয়ানা ছাড়া কাউকে গ্রেফতার না করার নির্দেশনা দিয়েছি।

নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, তাদের (বিএনপি) পোলিং এজেন্টের নামের তালিকা দিতে বলেছি। সেটা আমরা পুলিশ প্রশাসনকে দেবো, যেনো হয়রানি না করা হয়।

বৈঠকে সিইসি কে. এম. নুরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসির অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে বিএনপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ) ইমরান সালেহ প্রিন্স।