সরকার গঠন করতে পারবেন তো ইমরান?

সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের পার্লামেন্ট, যা ন্যাশনাল অ্যাসেমব্লি নামে পরিচিত, ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। নির্বাচন কমিশন সর্বশেষ যে ফল প্রকাশ করেছে, তাতেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি সাবেক ক্রিকেট তারকার নেতৃত্বাধীন দলটি।

এদিকে, অন্যতম প্রধান দুই দল পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ও পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) নতুন কৌশল অবলম্বন করতে যাচ্ছে পার্লামেন্টে পিটিআইকে চাপে রাখতে। দুয়েক দিনের মধ্যেই দেশটির দুটি বড় দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ ও পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতৃবৃন্দ বৈঠকে বসতে যাচ্ছে।

পার্লামেন্টে ইমরানের তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টিকে কোণঠাসা করতেই সেখানে পরিকল্পনা আঁটবেন তারা।

দেশটির বিভিন্ন টেলিভিশন জানিয়েছে, পিপিপি নেতা সাইয়েদ খুরশিদ শাহ রোববার ইসলামাবাদে পিএমএল-নওয়াজ নেতা শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বলে কথা রয়েছে।
নতুন মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য নেতাদের নাম নিয়ে শনিবার দেশজুড়ে ব্যাপক জল্পনাকল্পনা হয়েছে। কিন্তু পিটিআই সূত্র দৈনিক ডন জানিয়েছে, বানিগালায় অনুষ্ঠিত হওয়া বৈঠকে কোনো নাম নিয়ে আলোচনা হয়নি। দলটি এখন হিসাব মেলাতেই ব্যস্ত রয়েছে। তবে জোট সরকার গঠনে ছোট দল ও বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ইমরান খানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) পার্টি।

বুধবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও রোববার দেশটির নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করেছে। এতে পিটিআই পেয়েছে ১১৫ আসন। আর বড় দুই দল পিএমএল-নওয়াজ পেয়েছে ৬৪ ও পিপিপির মুঠোয় গেছে ৪৩ আসন।

তবে পাকিস্তানের ২৭২ সদস্যের নিম্নকক্ষে একক সরকার গঠন করতে হলে অন্তত ১৩৭টি আসন পেতে হবে।

তাই সরকার গঠন করতে হলে ইমরানের দলকে জোট বাঁধতে হবে। বড় দুদলকে দুর্নীতিবাজ বলে তাদের সঙ্গে জোট বাঁধবেন না বলে আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন ইমরান।

সরকার গঠন করতে কী কী প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে পারে তা নিয়ে ভাবছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টি।