সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: ঈদুল আজহাকে ঘিরে এখনই জমে উঠতে শুরু করেছে গ্রাম, গন্জ সহ রাজধানীর কোরবানির পশুর হাট ও বিপনী বিতান গুলো। এসময় ব্যস্ত হয়ে পড়েন ক্রেতা-বিক্রেতা ও সাধারণ গবাদিপশু ক্রয়-বিক্রয় কারীরা। পরিচিত-অপরিচিত লোকদের সাথে টাকা লেনদেন করতে হয়। টাকা লেনদেন করতে গিয়ে অনেক সময় আমাদের অনেকের পকেটে জাল টাকা চলে আসে,আর ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় সাধারণ মানুষের। মূলত কিছু অসাধু ব্যক্তির জাল নোট তৈরি ও বাজারজাত করার কারণে প্রতিনিয়ত আমরা সাধারণ মানুষেরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। বিভিন্ন উৎসবের প্রাক্কালে এরা আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে। হাট-বাজারে এমনকি শপিং মলে কেনাকাটার ভিড়ে জালনোট গছিয়ে দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে জাল টাকার লেনদেন করলে অনেক সময় আইনি সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। আসল ও নকল টাকা চেনার সহজ উপায় জানা থাকলে প্রতারণা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। তাই সিলেট নিউজ বিডি ডট কমের পাঠকদের কথা চিন্তা করে আমাদের ষ্টাফ রিপোর্টার মস্তফা উদ্দিন নোটটি আসল কি নকল তা জানার সহজ কিছু কৌশল তথ্য উপস্থাপন করেছেন, তা জেনে নেই এবং প্রতারণার হাত থেকে বাঁচি।
নকল টাকা চেনার উপায়:
০১। নিরপাত্তা সুতাঃ ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের প্রত্যেক প্রকার নোটেই মূল্যমান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো সম্বলিত নিরাপত্তা সুতা রয়েছে। নোটের মূল্যমান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো নিরাপত্তা সুতার ৪টি স্থানে মুদ্রিত আছে। নোট চিত করে ধরলে নিরাপত্তা সুতায় মূল্যমান লোগো দেখা যাবে। এ নিরাপত্তা সুতা অনেক মজবুত বা নোটের কাগজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। নখের আঁচড়ে বা মুচড়িয়ে উক্ত নিরাপত্তা সুতা কোনক্রমেই উঠানো সম্ভব নয়। জালনোটে নিরাপত্তা সুতা সহজেই নখের আঁচড়ে বা মুচড়ানোতে উঠে যাবে।
০২। রঙ পরিবর্তনশীল কালিঃ ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের প্রত্যেক প্রকার নোটের উপরের ডানদিকে কোনায় ইংরেজি সংখ্যায় লেখা নোটের মূল্যমান রঙ পরিবর্তনশীল কালিতে মুদ্রিত রয়েছে। ১০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের নোট আস্তে আস্তে নড়াচড়া করলে নোটের মূল্যমান লেখাটি সোনালী হতে ক্রমেই সবুজ রঙ এ পরিবর্তিত হয়। একইভাবে ৫০০ টাকা মূল্যমানের নোটে ৫০০ মূল্যমান লেখাটি লালচে হতে পরিবর্তিত হয়ে সবুজ হয়। জালনোটে ব্যবহৃত এ রঙ চকচক করলেও তা পরিবর্তিত হয়না।

Sylhetnewsbd Online News Paper