সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক বলেছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বেশ কিছু রিসেপশন সেন্টার তৈরি করেছে মিয়ানমার। প্রত্যাবাসনের কাজ এগিয়ে চলছে। তবে এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো রোহিঙ্গাদের মাঝে আস্থা তৈরি। প্রত্যাবাসনের পর তাদের সঙ্গে কেমন ধরনের আচরণ করা হবে তা কক্সবাজারের রোহিঙ্গাদেরকে বোঝাতে হবে। মিয়ানমারকে অবশ্যই রোহিঙ্গাদেরকে যথাযথ পরিবেশে ফেরত নিতে হবে। তবে সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে মিয়ানমারের আরো অনেক কাজ করা জরুরি। ভিয়েতনামের হ্যানয়ে চলমান আসিয়ান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে অংশগ্রহণকালে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে পররাষ্ট্র সচিব এ কথা বলেন।
জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন প্রতিবেদনে গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের অভিযুক্ত করে বিচার দাবি করেছে। এক্ষেত্রে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা ফেরত যাওয়ার আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি কিনা সিএনএনের সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে শহীদুল হক বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার দায়িত্ব মিয়ানমার সরকারের। তাদেরকেই এক্ষেত্রে পদক্ষেপ নিতে হবে।
খবরে বলা হয়, যাচাই বাছাইয়ের পর প্রথম পর্যায়ে তিন হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার। তবে এখনো প্রত্যাবাসনের কোনো দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। কয়েক লাখ রোহিঙ্গার ভাগ্য এখনো অনিশ্চিত।
Sylhetnewsbd Online News Paper