স্টাফ রিপোর্টার:একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্টতা পেয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ। ৩০০ টির আসনের মধ্যে ২৮৯ টি আসন পেয়েছে তারা। সিলেটের ৬ টি আসনেও ছিল তাদের জয়জয়কার। মর্যাদার আসন সিলেট-১ এ বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়েছেন
আওয়ামিলীগ মনোনিত প্রার্থী ড.এ কে এম মোমেন। তবে জয়ের পথটা এটা সহজ ছিলোনা তার জন্য। নৌকার পক্ষে ভোটের গণ
জোয়ারে বাধা হয়ে দাঁড়ায় জামায়াত শিবির। মুক্ত্যিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থি জামায়াত শিবিরের নেতা কর্মীরা আটঘাট বেধেই নামে
পরিকল্পনায়। সিলেট নগরীতে তাদের আছে বেশ কিছু শক্তিশালী ঘাটি। এর মধ্যে মদিনা মার্কেট এলাকা অন্যতম। ভোটের দিন দুপুর
১২ টার দিকে হঠাত করেই অশান্ত হয়ে উঠে সিলেট সুনামগঞ্জ রোডস্থ মদিনা মার্কেট এলাকা। শিবির ক্যাডার দের মহুর্মুহ
বোমাবাজিতে কেপে উঠে চারপাশ। আতংক ছড়িয়ে পরে সবখানে। কেন্দ্র ও এর আশপাশে থাকা মানুষজ়ন তখন জীবন বাচাতে
দিগবিদিগ হয়ে ছুটতে থাকেন। আশ্রুয় নেয়ার চেষ্টা করেন নিরাপদ স্থানে। পুরিবেশ হয়ে ভয়ংকর রকম ভীতিকর। এ সময় মেজর
খায়রুলের নেতৃত্বে এক প্লাটুন সেনাবাহিনী দ্রুত আসে ঘটনাস্থলে! মাত্র দুই মিনিটেই একশানে নামে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষ
দলটি। মেজর খাইরুলের দ্রুত আদেশে জামায়াত শিবিরকে ধাওয়া করেন সেনাবাহিনীর কিছু সদস্য। সেনা সদস্যদের এমন
সাহসিকতায় পিছু হঠে জামায়াত শিবিরের ক্যাডার বাহিনী। অল্প সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে সেনাবাহিনীর দলটি। জনমনে
ফিরে আসে স্বস্তি। এরপর আরো কিছু সময় মেজর খায়রুল ও তার দল সেখানে অবস্থান করেন। তবে ধাওয়া খেয়ে জামায়াত শিবিরের
কর্মীরা আর সেখানে ফিরে আসার সাহস পায়নি। মুলত মেজর খায়রুলের সাহসিক আক্রমনের সিধ্বান্তের কারনেই ভেংগে পরে
জামায়াতশিবিরের প্রতিরোধ। বিষয়টি সিলেটের স্বাধীণতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মানুষজনের মুখে মুখে ছিল সারাদিন। সুধীমহলে
জামায়াত শিবির ক্যাডারদের নগ্ন আচরন প্রতিরোধে মেজর খায়রুলের সাহসিক ভুমিকা প্রশংসা কুড়িয়েছে বেশ।
Sylhetnewsbd Online News Paper