মো: আব্দুর রশিদ খাান রাশেদ: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই একটা মৌলবাদী, তার দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ নিরাপদ নয়; তার বিভিন্ন সময়ের বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে তা সহযেই অনুমেয় । তার কাছে প্রিয়া সাহা নামক মৌলবাদী মহিলার বিচারের আবেদন রাষ্ট্রদ্রোহিতা কেবল নয়, এটি ধর্মদ্রোহিতার পর্যায়ে পড়ে। সে জানতো মুসলিম ফান্ডমেন্টালিস্ট কথাটা এখানে ক্লাইমেক্সের মত কাজ করবে। কিন্তু এই গন্ড মহিলা বুঝলো না এতে করে রাষ্ট্র এবং ধর্মীয় সম্প্রীতির বিরুদ্ধে নিজেকে এবং নিজের সংগঠনকে দাঁড় করিয়ে দিলো।
এই মহিলা ও তার পরিবার ভিআইপিদের মত রাষ্ট্রীয় সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করে অথচ এই দেশের সম্প্রীতির উপর দ্রোহ করল। সে একজন মিথ্যাবাদী ও সাম্প্রদায়িক লোক। এই মহিলা যে সম্প্রদায়ের হয়ে মিথ্যাচার করেছে তাঁদেরকেই এই মহিলার বিচার করতে হবে। এই মহিলা মুলত এদেশে সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী হিন্দু সমাজকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিয়েছে।
সম্প্রীতি শুধু একপক্ষে হয় না, সম্প্রীতির জন্য এর সাথে জড়িত সকল সম্প্রদায়কে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে । তবে হ্যাঁ সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মীয় সম্প্রদায় ও রাষ্ট্রযন্ত্রের দায়-দায়িত্ব বেশি।
বাংলাদেশের সম্প্রীতি প্রকৃতপক্ষে সারাবিশ্বে অনুকরণীয়। এটা হাজার বছর ধরে বজায় থাকুক এই আমাদের কামনা।
লেখক: মো: আব্দুর রশিদ খান রাশেদ,
সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা।
Sylhetnewsbd Online News Paper