সিলেট নিউজ বিডি ডেস্কঃ একাদশ জাতীয় সংসদ ও উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে প্রশিক্ষণের নামে অর্থ লুটের অভিযোগ উঠেছে। বিগত দু’টি নির্বাচনে প্রশিক্ষণ বাবদ ১২৩ কোটি টাকা নামেমাত্র খরচ করা হয়েছে। বিশেষ বক্তা, কোর্স উপদেষ্টা, কোর্স পরিচালক ও কোর্স সুপারভাইজার নামে ভাইচার প্রস্তুত করে মোটা অংকের টাকা উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) বিরুদ্ধে। যদিও ইটিআইয়ের মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুক ইত্তেফাককে বলেন, প্রশিক্ষণের নামে কোন অর্থ লুটের কোন সুযোগ নেই। নির্বাচনের প্রশিক্ষণ পরিচালনার জন্য প্রথমত মাঠ পর্যায় থেকে চাহিদা পাওয়া হয়। তারপর সেই চাহিদা মোতাবেক ইটিআই খসড়া বাজেট প্রস্তাব করে। সেই প্রস্তাব চূড়ান্ত করে নির্বাচন কমিশন। প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়ম মেনে ধাপে ধাপে অর্থ ছাড় করা হয়।
ইসির সংশ্লিষ্টরা ইত্তেফাককে বলেন, ১৯৯৫ সালে ইটিআই প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিটি নির্বাচনে বিশেষ বক্তা হিসাবে সিইসিসহ সংশ্লিষ্টরা মুলত প্রশিক্ষণের নামে ভাতা নিয়ে থাকেন। বিগত একাদশ সংসদ নির্বাচনে ‘বিশেষ বক্তা’ হিসেবে বক্ততায় ছিলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা; চার নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো :রফিকুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ও কবিতা খানম; সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ; অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমান এবং ২জন যুগ্ম সচিব। উপজেলা নির্বাচনে ‘বিশেষ বক্তা’ হিসেব এর সঙ্গে আরও চারজন যুগ্মসচিব যুক্ত হয়েছেন। এদিকে উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে একটি প্রশিক্ষণ থেকে ‘কোর্স পরিচালক’ হিসেবে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুক দায়িত্বে ছিলেন। ‘বিশেষ বক্তা’, ‘কোর্স উপদেষ্টা’ ও ‘কোর্স পরিচালক’ হিসেবে প্রায় ইসি সচিবালয়ের সিইসিসহ ১৮জন প্রায় দুই কোটি টাকা সম্মানী নিয়েছেন।
Sylhetnewsbd Online News Paper