সিলেট নিউজ বিডি ডেস্কঃ শামীমা নূর ওরফে পাপিয়া ওরফে পিউ-এখন ‘টক অব দ্যা কান্ট্রি’। তার গ্রেফতারের পর থেকেই যে বিষয়গুলো বেরিয়ে এসেছে তা যেন হার মানাচ্ছে আরব্যরজনীর মালিকা হামিরা ও মেহেরাঙ্গেজ চরিত্রগুলোকেও। কৌশল তার রাজনীতিবিদদের সঙ্গে ছবি তুলে নিজের অবস্থান জানান দেয়া। পরিচিতির সঙ্গে বাড়ে তার অপরাধজগতের পরিধিও। প্রভাব খাটিয়ে বনে যান যুব মহিলা লীগ নরসিংদী জেলার সাধারণ সম্পাদক। এ যেন তার হাতে আলাদীনের চেরাগ।
কয়েক মাসের মধ্যেই অন্ধকার জগতে বিশাল সম্রাজ্য গড়ে তুলে পাপিয়া কামিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।
পাপিয়া তার অতিথিদের প্রথমেই নিয়ে যেতেন গুলশানের ঢাকা ওয়েস্টিনে। লাঞ্চ অথবা ডিনার শেষে সেখান থেকে নিয়ে যেতেন তার নামে বরাদ্দকৃত ব্যয়বহুল প্রেসিডেনশিয়াল স্যুইটে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২৩ তলাবিশিষ্ট ঢাকা ওয়েস্টিন হোটেলের লেভেল-২২ এ এক হাজার ৪১১ বর্গফুট জায়গাজুড়ে বিলাসবহুল প্রেসিডেনসিয়াল স্যুইট।
সেখানে অতিথিদের নিয়ে সুন্দরী তরুণীদের সঙ্গে কিছুক্ষণ বৈঠক করতেন পাপিয়া। এরপর পছন্দসই তরুণীকে নিয়ে ‘গোপন কক্ষ’ এ প্রবেশ করতেন ভিআইপিরা। ওয়েস্টিনের ২২ তলায় চার বেডরুমের ওই স্যুইটের প্রতিরাতের ভাড়া সাধারণভাবে দুই হাজার ডলারের মতো।
পাপিয়ার ‘পাপের রাজ্যে’ বিচরণ ছিল প্রশাসন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংস্থার অনেক শীর্ষ ব্যক্তিরই। ওয়েস্টিনের কর্মকর্তারাও জানতো তার অপকর্ম সম্পর্কে। ধনাঢ্য ব্যবসায়ীরাও পাপিয়ার ডাকে সাড়া দিয়ে যেতেন হোটেল ওয়েস্টিনে।
রিমান্ডে প্রতিদিনই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিচ্ছেন পাপিয়া। এরই মধ্যেই বহু রাঘব বোয়ালের নাম বলে দিয়েছেন তিনি।
Sylhetnewsbd Online News Paper