সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: সাপ্তাহিক ‘সোনালী সিলেট’ পত্রিকা এখন দৈনিকও বের হয়। এ উন্নতির পেছনে ‘দেশ ও দশের’ অজানা কথা লুকিয়ে রয়েছে। তবে নামের প্রতি অবিচার করেনি ‘সোনালী সিলেট’ পত্রিকা। সে কারনে সোনালী ডিমে পূবালী ব্যাংক সিলেট পূর্বাঞ্চল, তেলিহাওর শাখার পিয়ন কাম-গার্ড তাজুলের পেট মটকা হয়েছে। একদিকে ব্যাংকের পিয়ন, অপরদিকে বেচারা ‘সোনালী সিলেট’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশ। মাঝে মধ্যে বন্ধুক কাঁধে ঝুঁলিয়ে গার্ডের দায়িত্বও পালন করে সে।
এছাড়া কোন যোগ্যতায় সম্পাদক ও প্রকাশ হয়েছেন, এনিয়ে তার বিরুদ্ধে চলমান মামলার রায়ে, হয় বাঁশ’ নয়তো হাসবেন শিগগরিই তাজুল। তবে সম্পাদক ও প্রকাশক হওয়ায় বিরাট খ্যাতি লুঠেছে সে। ব্যাংকের পিয়নের কাজ ব্যাংক-টু-ব্যাংক না করে সরকারী বিভিন্ন সেবাধর্মী প্রতিষ্টানে তার অবাধ, সন্দেহপূর্ণ যাতায়াত। তার সহচররা বলেন, সোনালী সিলেটের জন্য সোনার ডিমের ব্যবস্থা করতেই এ দৌড়ঝাঁপ তাজুলের। সেবাধর্মী প্রতিষ্টানে তাকে দালাল বলেই চিনে জানে বেশিরভাগে কর্তা। মাঝে মাঝে পরিচয় সংকটে বিড়ম্বনায় পড়ে তাজুল। সম্পাদক ও প্রকাশক পরিচয় দিবেন না ব্যাংকের পিয়ন পরিচয় দিবেন তা নিয়ে বিব্রত হতে হয় তাকে। অনেকের কাছে নিজকে জাহির করতে যেয়ে বলেন, ব্যাংকের পিয়নের পরিচয়ে, ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্তাদের গতিবিধি গোপনে সংগহ করে উপরে পাঠানের কাজ তার। কারন পূবালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদে তার লোকজন। তারাই তাকে গোপন কাজে লাগিয়েছেন, সিলেটে ব্যাংকের কোন কর্তা কোন দিকে যাচ্ছেন, কোথায় খাচ্ছেন, অবৈধ কোন কাজ করছেন এসবের নোট করে পরিচালনা পর্যদে প্রেরন করতে। এসব কাজ নাকি খুবই সেনসেটিভ। মাঝে মধ্যে অনেক বড় কর্তার ঘরের বাজার খরচও করে দিতে হয় তাকে। তাদের স্ত্রীদের খরব রাখেন তাজুল। দাম্পত্য কলহ রোধে স্যার ও স্যারদের স্ত্রীদের মধ্যে বিচারিক কাজও করতে হয় তাকে। সেকারনে স্যারদের হাঁড়ির খবর, ঘরের খবর এখন কলিজায় ডুকে গেছে তার। সেকারনে স্যাররা তাকে সমীহ করেই চলতে হয়।
গত ৫ জানুয়ারী ২০১৮ ইং রাত অনুমান ৮টায় তাজুলের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। সে ঘটনায় নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট আদালত (১ম) একটি মামলা (নং ২০/১৮ইং) দায়ের করেন তিনি। এজহারের ব্যাংকের পিয়নের পরিচয় যেমন দেননি, তেমনি তার ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে হামলা মামলা বিষয়টি অবহিত করেননি তিনি। এব্যাপারে বলেন, ব্যাংকের বেশিরভাগের পারিবারিক বিচার আমি করি, তাদের নিকট কিভাবে বলি আমার উপ সন্ত্রাসীরা হামলা ঘটেছে। পেষ্টিজে লাগে বিষয়টি। তবে অবহিত করা যে চাকুরী বিধির অংশ সেই জ্ঞানও নেই পিয়ন তাজুলের।
অন্যদিকে, সরকারী সেবাধর্মী প্রতিষ্টানে নিজকে তোলে ধরতে যেয়ে অনেকের নিকট বলেন, পূবালী ব্যাংকের কর্তাদের ‘ পারসোনাল পারফরমেন্স ইনফরমার’ তিনি। তাই ব্যাংকের কর্তারা সেকারনে ভয় পান তাকে। তাদের পদোন্নতি সহ অনেকের ব্যাংক ভাগ্য রক্ষা তার হাতে হয়ে থাকে। এছাড়া তার চাকুরী কেবল কাগজে পত্রে, দায়িত্ব পালন করতে হয় না। বিষয়টি সত্যতা প্রমানে প্রায়ই ব্যাংক টাইমে ঘুর ঘুর করেন সেবাধর্মী প্রতিষ্টানে। তার এহেন আস্ফলনে সেবাধর্মী প্রতিষ্টানের কর্তারাও বুঝে নেন তাজুল যে ছোট পদের বিশাল সুঁই! সিলেট পূর্বাঞ্চল প্রধান ও উপ-মহাব্যবস্থাপক জিয়াউল হক চৌধুরী এব্যাপারে বলেন, তাজুলে এহেন বিষয়ে কোন অভিযোগ তার কাছে নেই। নিউজঃ ড্রীম সিলেট।
Sylhetnewsbd Online News Paper