সিলেট নিউজ বিডি ডেস্কঃ আট বছর আগে ২০১৬ সালের ১লা জুলাই শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানা যায় এক রেস্টুরেন্টে সশস্ত্র হামলাকারী ঢুকে বেশ ক’জনকে জিম্মি করেছে । পরে জানা গেল হামলাকারীরা ওই রেস্টুরেন্টে থাকা বিদেশী নাগরিকসহ বেশ কয়েকজনকে জিম্মি করেছে। এটা ছিলো রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর গুলশান ৭৯ নম্বর সড়কের হোলি আর্টিজান বেকারিতে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জঙ্গি হামলা ।
দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জঙ্গি হামলা হয়েছিল রাজধানীর গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও সংগঠন গুলশানের জঙ্গি হামলায় নিহতদের স্মরণে আজ সোমবার শ্রদ্ধা নিবেদন করেন । পুরাতন গুলশান থানার সামনে নির্মিত ‘দীপ্ত শপথ’ ভাস্কর্যে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় নিহত দুই পুলিশ সদস্যের স্মরণে ।
২০১৬ সালের এই দিনে জঙ্গিরা অস্ত্রের মুখে বেকারিতে থাকা দেশি-বিদেশি নাগরিকদের প্রথমে জিম্মি করে । জঙ্গি হামলায় ওই ঘটনায় পুরো দেশ স্তম্ভিত হয়ে পড়ে।রেস্টুরেন্টে আসা নারী,পুরুষ,বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ বিদেশি নাগরিকদের গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা। জঙ্গিরা সেই রাতে কুপিয়ে ও গুলি করে মোট ২২ জনকে হত্যা করে। জিম্মিদের মুক্ত করার জন্য অভিযান চালাতে গিয়ে জঙ্গিদের বোমা হামলায় নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তা। সেই রাতে জিম্মিদের উদ্ধারে পুলিশের পাশাপাশি র্যাব, বিজিবি, নৌ কমান্ডো ও সেনাবাহিনী যুক্ত হয়। পরদিন সকালে সেনাবাহীর কমান্ডো অভিযানের মধ্য দিয়ে ১২ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর জিম্মিদশার সমাপ্তি ঘটে । এই অভিজানে রোহান ইমতিয়াজ, সামিউল মোবাশ্বির, নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ও খায়রুল ইসলাম নামের পাঁচজন জঙ্গি নিহত হন । পরবর্তীতে এই হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয় মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)। তবে সরকার আইএসের এই দাবি নাকচ করে দেয় । সরকার বলেছে, এই হামলার জন্য দেশীয় জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবি দায়ী।
Sylhetnewsbd Online News Paper