ফারজানা রিঙ্কি: মানসিক চাপসহ শারীরিক বিভিন্ন প্রশান্তিতে মেডিটেশন একটি অত্যন্ত কার্যকরী উপায়। অনেক ধরনেরই মেডিটেশন রয়েছে যেগুলোর একেকটির ফলাফল একেকরকম। তবে নির্দিষ্ট নিয়মে প্রতিদিন এসব ভিন্ন ভিন্ন মেডিটেশনের ফলে শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকা, মন শান্ত থাকা, কাজে একাগ্রতা, চিন্তার জগৎ প্রসারিত সহ নানা ধরনের উপকার পাওয়া সম্ভব।
মেডিটেশন করার অনেক ধরণ রয়েছে। গবেষকরা দুই ধরনের মেডিটেশনের কথা উল্লেখ করেন।
১. কনসেন্ট্রেটিভ মেডিটেশন এবং
২. নন-কনসেন্ট্রেটিভ মেডিটেশন।
প্রথম মেডিটেশনের ধরণটিকে মনোযোগ বেশি রাখতে হয় একটি নির্দিষ্ট ফোকাসে আর দ্বিতীয়টিতে তুলনামূলক কম মনোযোগ রাখতে হয় ফোকাস বিষয়টিতে। সাধারণত প্রথম মেডিটেশনটি অর্থাৎ কনসেন্ট্রেটিভ মেডিটেশনের মাধ্যমেই মানসিক চাপ কমানো সম্ভব। এবারে জেনে নিন কিছু মেডিটেশন সম্পর্কে যেগুলো আপনার মানসিক চাপ কমাতে অত্যন্ত সহায়ক।
বেসিক মেডিটেশন :
এটি খুবই সহজ পদ্ধতির একটি মেডিটেশন এবং এর স্থায়িত্বকাল খুবই সীমিত। মূলত চোখ বন্ধ করে কিছু সময় অন্যত্র মনোনিবেশ করাই বেসিক মেডিটেশনের মূল লক্ষ্য। এই মেডিটেশনে হালকা প্রশান্তি মেলে।
শ্বাস-প্রশ্বাসের মেডিটেশন :
চোখ বন্ধ করে জোরে জোরে শ্বাস প্রশ্বাস নেয়ার একটি হালকা মেডিটেশন এটি। এতে করে যাবতীয় দুশ্চিন্তা নিমেষেই দূর হয়ে যায়।
শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে দৃশ্যায়ন মেডিটেশন :
এই মেডিটেশনটিতে চোখ বন্ধ করে শ্বাস প্রশ্বাস নেয়া হয়। পাশাপাশি এতে একটি সুন্দর দৃশ্য কল্পনার মাধ্যমে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়। এটি মস্তিষ্ককে সতেজ এবং প্রাণবন্ত করে তোলে। ফলে মানসিক চাপ কমে।
মন্ত্র মেডিটেশন :
চোখ বন্ধ করে মনে মনে মন্ত্র আওড়ানোর একটি মেডিটেশন এটি। আসলে মন্ত্র না সুন্দর কিছু কথাই বারবার করে বলার মাধ্যমে ধ্যান করা হয় এই মেডিটেশনে। এর ফলে চিন্তা পরিস্কার হয়।
অ্যারোমাথেরাপি মেডিটেশন :
এই মেডিটেশনটিতে দুটি পদ্ধতি রয়েছে। একটি হল স্বাভাবিক নিয়মে মেডিটেশন করে নিজেকে শান্ত রাখা অপরদিকে একইসাথে অ্যরোমাথেরাপির মাধ্যমে মনকে সতেজ করে তোলা।
Sylhetnewsbd Online News Paper