মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে যুক্তরাজ্যে শাখা সোনালী ব্যাংক ব্যর্থ হয়েছে এমন অভিযোগে বাংলাদেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত এই বাণিজ্যিক ব্যাংকটির ৩৩ লাখ পাউন্ড জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার যুক্তরাজ্যের আর্থিক খাত তদারককারী কর্তৃপক্ষ ফিন্যান্সিয়াল কনডাক্ট অথরিটি (এফসিএ) এ তথ্য জানায়। সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স।
জরিমানার পাশাপশি সোনালী ব্যাংক ইউকে শাখাকে নতুন গ্রাহকদের কাছ থেকে আমানত গ্রহণের ওপর ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে প্রবাসীদের আয় বাংলাদেশে পাঠাতে পারবে ব্যাংকটি।
সম্ভাব্য মুদ্রা পাচার ঠেকাতে পদ্ধতি উন্নত করতে সোনালী ব্যাংককে এর আগে ২০১০ সালে সতর্ক করেছিল এফসিএ। কিন্তু চার বছরেও ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাতে ব্যর্থ হওয়ায় এই জরিমানা করা হয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, এক গ্রাহকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগের বিষয়ে সোনালী ব্যাংকের কাছে তথ্য চেয়েছিল এফসিএ, কিন্তু সাত সপ্তাহেও সেই তথ্য পাওয়া যায়নি। এফসিএর তদন্তে উঠে এসেছে, ওই গ্রাহকের বছরে আয় ২৮ হাজার পাউন্ড, অথচ তিনি গত ১৮ মাসে বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন ২৫ হাজার পাউন্ড, যা সন্দেহজনক। কিন্তু সোনালী ব্যাংক এর কোনো তদন্ত করেনি।
বাংলাদেশ স্বাধীনের পরপরই যুক্তরাজ্যে সোনালী ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়। তবে অনিয়মের কারণে ১৯৯৯ সালে এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। প্রবাসীদের সেবা দিতে ও ঋণপত্রের নিশ্চয়তা প্রদানের জন্য ২০০১ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্যে আবারও যাত্রা শুরু করে সোনালী ব্যাংক।
Sylhetnewsbd Online News Paper