অবশেষে ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলমের বিরুদ্ধে চুরান্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) দাখিল হচ্ছে; চলতি সপ্তাহেই চুরান্ত প্রতিবেদন দাখিল সম্ভব হবে বলে মনে করছেন মামলা সংশ্লিষ্টরা। সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী খাদিজা বেগম নার্গিসকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার মামলার চুরান্ত প্রতিবেদন দাখিল হবে।
এ ক্ষেত্রে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসধীন খাদিজার মেডিক্যাল প্রতিবেদন আসতে দেরি হলেও বেশি দিন অপেক্ষা করা হবে না বলে জানিয়েছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর) জেদান আল মুসা জানান, খাদিজার ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের মামলাটির তদন্ত কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। মামলার প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য, প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই মামলাটির চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়া সম্ভব হবে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহপরান থানার এসআই হারুনুর রশীদ জানান, পুলিশ হামলায় ব্যবহৃত চাপাতি, ঘটনাস্থলের রক্তমাখা ঘাস ও মাটি, খাদিজার রক্তাক্ত কাপড় আলামত হিসেবে সংগ্রহ করেছে। ঘটনার ভিডিও চিত্রও সংগ্রহ করা হয়েছে।
তিনি জানান, আলোচিত ঘটনাটির মামলায় এখন পর্যন্ত ২৯ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। খাদিজাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া ইমরান কবির ও বদরুলকে আটকে সহায়তাকারী জুনেদ আহমদও সাক্ষ্য দিয়েছেন।
এদিকে খাদিজাকে প্রথমে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখান থেকে মেডিক্যাল প্রতিবেদন পেয়েছে পুলিশ।
এ ছাড়া প্রতিবেদন চেয়ে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালেও চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে স্কয়ারের প্রতিবেদন আসতে দেরি হলে আদালতে চার্জশিট দাখিল করতে বেশি দিন অপেক্ষা করা হবে না বলে মন্তব্য করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তার।
সুত্র:ডেসি
Sylhetnewsbd Online News Paper