বড়লেখা উপজেলায় বন্যা অবনতি:অন্তহীন দুর্ভোগ

বড়লেখা থেকে মস্তফা উদ্দিন: দীর্ঘস্থায়ী পানিবন্দী হয়ে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার মানুষ এখন মানবেতর জীবন যাপন করছেন। গত কয়েকদিনের টানা প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটেছে। বন্যার ফলে, উপজেলার প্রায় কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দী জীবনযাপন করছেন।

মানুষজন গরু-ছাগল, হাঁস, মুরগিসহ অন্যান্য প্রাণী নিয়ে দুর্ভোগের সাথে দিনাতিপাত করছেন।বন্যার পানি দিন দিন এতই বৃদ্ধি পাচ্ছে যে, এলাকার বেশিরভাগ বাড়ি-ঘর, রাস্থা-ঘাট, হাট-বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মন্দিরসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তলিয়ে গেছে। বন্যায় শত শত খামারের মাছ ভেসে গেছে। আর খামারিসহ অন্যান্য মানুষের গরু, ছাগল নিয়ে টিকে থাকা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে উপজেলার প্রায় ৯৫ ভাগ মানুষ অসহায় ও দুর্ভোগের সাথে যুদ্ধ করে কোনো রকমে বেঁচে আছেন। এ পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে যতটুকু ত্রাণ সহায়তার দরকার তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।সরজেমিনে উপজেলার কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে- ২নং দাসের বাজার ইউনিয়ন ১নং বনি ইউনিয়ন ৭নং তালিম পুর ইউনিয়ন বন্যার পানি বেড়ে গিয়ে অনেক পরিবার মানবেতর জিবন জাপন করতেছে বিশেষ করে দাসের বাজার উওর বাগির পার। কুদালি,পানিসাইল, দম ধিহি, পানি সাওয়া গুলুয়া, গবিন্দপুর চানপুর সুনামপুর গ্রামের প্রায় পতিটি বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। উওর বাগির পার বিদ্যালয় আশ্রয় নিয়েচেন আনেক পরিবার। ইউনিয়ন বা সরকারি কোন এান পায়নি। আনেক বাড়িতে নাখেয়ে আছেন। অনেক ইস্কুল বন্যায় কবলিত হওয়া ছাএ ছাএী যাতায়াত করতে নাপারায় ইস্কুল গুুলো বন্দদেয়া হয়েছে।যারা বাড়ি-ঘরে থাকতে পারছে না তারা তাদের গবাদিপশু ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন। বন্যা দুর্গতদের জন্য প্রসাশনিকভাবে যে সংখ্যক আশ্রয় কেন্দ্র ও ত্রাণ সামগ্রী ব্যবস্থা করা হয়েছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল।