ওসমানীনগর প্রতিনিধি সিলেট নিউজ বিডি: ওসমানীনগরে মাদরাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে চলছে স্ত্রী কতৃক ষড়যন্ত্র। স্ত্রীর কথামতো না চলায় এবং তার পৈত্রিক সম্পত্তি ছেড়ে শশুর বাড়িতে বাড়ি না তৈরি না করায় তার স্ত্রী ক্ষিপ্ত হয়েই নানারকম ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন উপজেলার চকবাজার ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবু সালেহ আল মাহমুদ। স্ত্রীর যন্ত্রনায় অতিষ্ট হয়ে ২০১৬ সালে তিনি ওসমানীনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেছিলেন বলে জানান।
একাধিক সুত্রে জানা যায়, ওসমানীনগর উপজেলার চকবাজার ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ ও দয়ামীর ইউনিয়নের চিন্তামনি গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা আবু ছালেহ আল মাহমুদ ও তার স্ত্রী মাছুমা সিদ্দিকার মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে বহুবার পারিবারিকভাবে মিমাংসাও করা হয়। কিস্তু মাসুমা বেগম কৌশল পাল্টিয়ে একের পর এক নানাভাবে যন্ত্রনা দিয়ে আসছেন বলে জানান তার স্বামী মাহমুদ। সব ধরণের উন্নত চিকিৎসার আশ্রয় নিয়েও তাদের ঘরে কোন সন্তান আসেনি। সন্তানহীন পরিবারের আয় থেকে মাসুমা বেগম তার ভাইদের আর্থিক যোগান দিতেন। অন্য দিকে তার স্বামী আবু ছালেহ আল মাহমুদকে বাড়ি বিক্রি করে তার পিতার এলাকায় জায়গা কিনে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য চাপ দেন। এতে মাওলানা আবু ছালেহ আল মাহমুদ তার স্ত্রীর ভাইদের টাকা না দেয়া ও বাড়ি বিক্রি করে অন্যত্র বাড়ি ক্রয় করার জন্য সম্মত না হলে স্ত্রী মাসুমা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মাত্রা বাড়িয়ে দেন। এ ষড়যন্ত্রের চুড়ান্ত রূপ ধারণ করে চলতি বছরের ১৭ মে ।
এ দিন আবু ছালেহ আল মাহমুদ প্রতিদিনের মত তার কর্মস্থলে চলে আসার পর স্ত্রী মাসুমা বেগম চিকিৎসায় যাওয়ার কথা বলে তার ভাইয়ের সাথে চলে যান। যাওয়ার সময় স্বামীর পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র ও মূল্যবান কাগজপত্রসহ টাকা পয়সা নিয়ে যান। এরপর প্রায় ৫ মাসে বিষয়টি আপোষে নিষ্পত্তি না হলে ২০ সেপ্টেম্বর আদালতে যৌতুকের দাবী ও নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ এনে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন মাসুমা বেগম।
এ ব্যাপারে আবু ছালেহ আল মাহমুদ বলেন, বিয়ের কয়েক বছর পর থেকে সে কৌশলে আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করতে থাকে। আমার বড় ভাই কষ্ট করে আমাকে লেখা-পড়া করিয়েছেন। সে ভাই থেকে পৃথক হতে হয়েছে এ স্ত্রীর কারণে। এরপর নানাভাবে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে তার ভাইদের পরিবারে দিত। কোন সময় আমি টাকা দিতে না চাইলে সে আমাকে খুব মানসিক চাপে রাখতো। আমার বাড়ি বিক্রি করে তার পিতার এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাসের চাপ দেয়। এতে আমি সম্মত না হলে সে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করাসহ নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
Sylhetnewsbd Online News Paper