হেলাল আহমদ,সিলেট নিউজ বিডি: ছাতকে ধীর পায়ে এগিয়ে আসছে শীত। ভোরবেলা কুয়াশা জমে থাকছে ঘাসে আর লতা-পাতায়। রাতে কিছুটা শীত অনুভূত হচ্ছে। পুরোপুরি শীতের শুরু না হলেও অনুভূত হচ্ছে শীতের আমেজ। প্রচলিত রীতি অনুযায়ি কার্তিকে শীতের জন্ম হলেও অগ্রহায়ণ, পৌষ ও মাঘ এই তিন মাস শীত মৌসুম হিসেবে বিবেচিত হয়। আর শীত মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে হিঁড়িক পড়েছে লেপ-তোষক বানানোর। ইতোমধ্যে কারিগররা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন লেপ-তোষক বানানোর কাজে। ক্রেতাদের আনাগোনায় জমজমাট হয়ে উঠেছে লেপ-তোষক এর দোকানগুলো।
উপজেলার জাউয়াবাজারের লেপ-তোষকের এক কারিগর জানান, ক্রেতারা শীতের কথা মনে রেখে আগাম লেপ-তোষক বানাতে দিচ্ছেন। অর্ডার পেয়ে কারিগররাও লেপ-তোষক ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন। তিনি জানান, একটি লেপ তৈরিতে একজন কারিগরের সময় লাগে এক থেকে দেড়ঘণ্টা। এভাবে একজন কারিগর দিনে গড়ে ৪/৫টি লেপ তৈরি করতে পারেন। অনুরুপভাবে দিনে ৪/৫টি তোষক তৈরিতেও একই সময় ব্যয় হয়।
তুলা ব্যবসায়ি শরিফ উদ্দিন জানান, শীত মৌসুমের পুরো তিন মাস কারিগররা যে হারে লেপ-তোষক, গদি তৈরিতে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করে বছরের অন্য সময় তা হয় না। বছরের প্রায় ৮মাস তাদের অনেকটা অলস সময় কাটাতে হয়। কেউ কেউ ভিন্ন পেশায় নিয়োজিত হয়। ক’দিন ধরে আগাম শীতের আগমন বার্তায় প্রতিদিনই লেপ-তোষক তৈরির অর্ডার হচ্ছে। তাই অর্ডারি লেপ-তোষক তৈরিতে এখন কারিগররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। একেকজন কারিগর দিনে প্রায় ৪শ’ থেকে সাড়ে ৪শ’ টাকা উপার্জন করছে। তিনি আরো জানান, তুলার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় লেপ-তোষক, গদি তৈরিতে খরচ গত বছরের চেয়ে একটু বেড়েছে। তাছাড়া বর্তমানে কেনা-বেচা ভালই হচ্ছে। শীতের তীব্রতা যতো বাড়বে বেচাকেনা আরো জমবে বলে জানান তিনি।
Sylhetnewsbd Online News Paper