তাহিরপুর প্রতিনিধি: ঈদ কে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাথে পাল্লা দিয়ে তাহিরপুর উপজেলার বেশ কয়েকটি স্পটে চলছে ইয়াবা, গাঁজা ফেনসিডিল ও এক প্রকারের দেশীয়মদসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্যের রমরমা ব্যাবসা। এই মরণব্যাধি নেশার ছোবলে আক্রান্ত এলাকার স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ তরুণ প্রজন্ম। মাদকের এমন মহামারি অবস্থা দূর করতে এবং মাদক নির্মূলে ধ্বংস করতে জুরালো অভিযান পরিচালনা করছে সরকার। মাদকের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহীনির অভিযান অবশ্যই সমর্থনযোগ্য। সরকার কর্তৃক নির্দেশক্রমে তাহিরপুর উপজেলায় বিভিন্নস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহীনির অভিযানে বিভিন্ন মাদকদ্রব্যসহ মাদক ব্যাবসায়ি সহ ১২জনকে আটক করা হয়। তাদের মাদকদ্রব্য আইনে জেলহাজতে প্রেরন করেন।
স্থানীয়রা বলেন ইদানীং তাহিরপুর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাদকবিরোধি পৃথক পৃথক অভিযান প্রশংসনীয়। যাহা পুর্বে কখন দেখি নাই। তবে এত জুরালো অভিযান ও কড়া নজরদারী থাকা সত্যেও উপজেলার বিভিন্ন স্পটে এখন বন্ধ হচ্ছে না মরণব্যাধি মাদকব্যাবসা,উক্ত মাদকদ্রব্য কিভাবে আসে? আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আজ কি সনাক্ত করতে পেরেছে।
মাদক বিরোধি অভিযান নিয়ে,সুনামগঞ্জ জেলা শাখার বঙ্গবন্ধু পরিষদের আহবায়ক ড.রফিকুল ইসলাম তালুকদার উনার টাইম লাইনে প্রকাশ করেছেন: আন্তরর্জাতিক ভাবে চরম বিপর্যয়কারী মাদকের উৎস্য,নির্মুল আমদানি সম্পৃক্ত রাঘব বোয়ালদের রাষ্ট্রিয় ভাবে প্রতিরোধ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং যুব সমাজকে হতাশা হতে উত্তরণ ব্যাতীত শুধু ক্রস ফায়ারে মাদক নির্মুল সম্ভব নয়।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন স্পটে মাদক সেবনকারীরা মাদকদ্রব্য সেবন করে,নদী খাল বিলে পেলে রেখেছে বিভিন্ন ব্রান্ডের মাদকদ্রব্যে খালী বোতল এবং মাঝে মধ্যে চোখে পড়ে নেশাগ্রস্ত মাতাল তরুণদের, তবে ইদানিং মাদক সেবনকারীরা গভীর রাতেই মাদক সেবনে খুব বেশী লিপ্ত থাকেন।
জানা যায়, নেশাগ্রস্ত তরুণরা নেশার টাকা নিয়মিত সংগ্রহ করতে না পারলে,রাতের অন্ধকারে জরিয়ে পড়ছে,গরু,নৌকা,সহ বিভিন্ন মালামাল চোরিসহ অপরাধমুলক বিভিন্ন কর্মকান্ডে। যার ফলে এলাকায় দিন দিন অপরাধের মাত্রা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।
স্থানীয় সুশীল সমাজ প্রতিনিধিরা বলেন,বর্তমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাদকবিরোধি অভিযান কে সাধুবাদ জানাই, কিন্তু এত জুরালো অভিযান চলমান থাকা সত্যেও কী করে মাদকদ্রব্য পাচাঁর হয়। যার ফলে আজ তরুণরা মাদক সেবন করার সুযোগ পাচ্ছে, তাদের ধারণা এখন হয়তো মাদকচোরাচালানী ও মাদক সম্রাটরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাচোয়ার বাহিরেই রয়েগেছে। যার কারনেই মাদকচোরাচালান ঠিকই হচ্ছে।
Sylhetnewsbd Online News Paper