প্রশাসনের বাধার পরও বিয়ানীবাজারের কিশোরীর বড়লেখায় বিয়ে! অতঃপর

মস্তফা উদ্দিন,ষ্টাফ রিপোর্টার: বড়লেখা উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের পানিশাইল গ্রামের আশু বিশ্বাসের ছেলে রিংকু বিশ্বাস(১৮)এর সাথে গত ১২ জুলাই বিয়ানীবাজারের দক্ষিণ দুবাগ গ্রামের শৈলেন্দ্র বিশ্বাসের কিশোরী মেয়ে(১৪) মাম্পী রানী বিশ্বাসের বাল্যবিয়ের অভিযোগে উপজেলা প্রশাসন বন্ধ করে দেয়। ঐ দিনই মাম্পী রানী বিশ্বাসের পিতা শৈলেন্দ্র বিশ্বাস মেয়ের ১৮বছর না হওয়া পর্যন্ত মেয়ে বিয়ে দিবেন না বলে মূচলেকা দেন প্রশাসনের কাছে। পরক্ষনেই বর পক্ষ রাস্তা থেকে পালিয়ে যায়।

কিন্তু এর মাত্র এক মাসের মাথায় কথিপয় দুস্কৃতিকারীদের প্ররোচনায় ১২ আগষ্ট বালিকা বধুকে বড়লেখায় বালক বরের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। অবশেষে বড়লেখা উপজেলা প্রশাসন মঙ্গলবার বর ও কনে পক্ষের নিকট থেকে মূচলেখা আদায় করে বালিকা বধুকে পিত্রালয়ে ফেরৎ পাঠিয়ে দিয়েছে।

সরজমিনে জানা যায়,বর পক্ষের প্ররোচনায় কনে পক্ষের মূচলেখাকে বিদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে খলে বলে কৌশলে কনেকে বরের এলাকার কিছু দুস্কৃতিকারীদের মাধ্যমে বাড়ীতে আনতে সক্ষম হয়।

বড়লেখা ইউএনও মোহাম্মদ সোহেল মাহমুদ জানান, মাত্র ১ মাস পুর্বে বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রশাসনের বন্ধ করে দেয়া বাল্যবিয়ের অপ্রাপ্ত বয়স্ক বধু বড়লেখায় বরের বাড়িতে অবস্থানের খবর পেয়ে তদন্তপুর্বক ব্যবস্থা নিতে তিনি সহকারী কমিশনার(ভুমি) মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

সংশ্লিষ্টরা ঘটনার সত্যতা পেয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার কৌশিক বিশ্বাস ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য দিবান্তি রানী দাসের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার বর ও কনে পক্ষের নিকট থেকে মূচলেখা আদায় করে বালিকা বধুকে বিয়ানীবাজার পিত্রালয়ে ফেরৎ পাঠানো হয়েছে।