ড. কামাল গংরা কি নির্বাচন চায়, প্রশ্ন শেখ হাসিনার

সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: প্রবীণ রাজনীতিক সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন নির্বাচন চান কি না এমন প্রশ্ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সদ্য সমাপ্ত বিমসটেকের চতুর্থ সম্মেলন উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ড. কামাল হোসেনের নির্বাচন নাও হতে পারে এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চান একজন গণমাধ্যমকর্মী।

জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ড. কামাল গং, যারা একসঙ্গে হয়েছে তারা আদৌ নির্বাচন চায় কি না? কারণ বাংলাদেশে একটা শ্রেশি বসেই থাকে একটা অনির্বাচিত কিছু আসলে, তারা একটা ফ্ল্যাগ পায়। ড. কামাল হোসেনও আন কনটেস্টে জিতে এসেছিলেন। জাতির পিতা একটা আসন ছেড়ে দিয়েছিলেন, সেই সিটে কেউ কনটেস্ট করে নাই। উনি (ড. কামাল হোসেন) এমপি হয়ে আসলেন। সেই আনকনটেস্টের যিনি এমপি, তিনি আনকনটেস্ট মানতে চান না। নিজেকে আবার সংবিধান প্রণেতা দাবি করেন, এখন আবার সেই সংবিধানও তিনি মানতে চান না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা সব মিলিয়ে একটা জোট করেছে, এটা ভালো। বাংলাদেশে তো দল দুটি দল, একটা আওয়ামী লীগ, আরেকটা আওয়ামী লীগ বিরোধী। আওয়ামী লীগ বিরোধীদের তো একটা জায়গা থাকা দরকার। ড. কামাল হোসেন সাহেবের পকেটে সবসময় একটা টিটিট থাকে, উনি যখন একটা গরম বক্তৃতা করেন তখন ওনার প্লেন রেডি থাকে।

তিনি আরো বলেন, অন্ততপক্ষে একটা ভালো জোট হোক, আমরা নির্বাচনটা কনটেস্ট করি। একটা তো বিকল্প থাকতে হবে। বদরুদ্দোজা চৌধুরী বিকল্পধারা করলেন, সেটা এখন স্বকল্প হয়ে গেছে। আমাদের তো কোনো কিছু হলে সব উত্তরপাড়ার দিকে তাকিয়ে থাকে। আমি তো মৃত্যুর মুখে আছি সবসময়। একটু আন্দোলন দেখলেই সেটার ঘাড়ে চড়ে সবাই বসতে চায়। যখন আন্দোলন হয় তখন আমি দেখি। তারপর কেউ সেই আন্দোলনের ঘাড়ে যদি কেউ চড়ে, তাকে সরিয়ে দেই। তারাও পড়ে যায়।

শেখ হাসিনা বলেন, সেই আন্দোলন করে যদি কেউ সফল হয় আর যদি উত্তরপাড়া থেকে কেউ আসে- সেটাই তো উনারা চান। সুষ্ঠুভাবে গণতন্ত্র তো তারা চান না।

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিগত জাতীয় নির্বাচন ঠেকানোর জন্য আন্দোলন-সংগ্রামের নামে জ্বালাও-পোড়াও হলেও জনগণ তা প্রতিহত করেছে এবং এবারও তেমন কিছু হলে জনগণ মোকাবেলা করবে। আগামী নির্বাচন হবেই। এ নির্বাচন ঠেকানোর শক্তি কারও নেই।