ভারতকে একাই টানছেন বিহারী

সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: প্রথম দিনের তৃতীয় সেশনে বুমরা, ইশান্তদের ঝোড়ো স্পেল ভারতকে ফিরিয়ে এনেছিল ম্যাচে। শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) সাত উইকেটে ১৯৮ রান নিয়ে খেলা শুরু করে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় দিন কোহলিদের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল শুরুতেই ইংরেজদের বাকি তিন উইকেট তুলে নেয়া। কিন্তু কোহলিদের সেই লক্ষ্যে বড়সড় আঘাত হানেন ইংল্যান্ডের উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান জস বাটলার। তার দুরন্ত ৮৯ রানের ইনিংস দ্বিতীয়দিনের শুরুতে ফের চাপে ফেলে দেয় কোহলি ব্রিগেডকে। স্টুয়ার্ট ব্রডকে সঙ্গী করে বাটলারের ৯৮ রানের পার্টনারশিপ ইংল্যান্ডকে পৌঁছে দেয় ৩৩২ রানে।

জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে খেলতে নেমে ৬ রানের মাথায় গাব্বার সিং ধাওয়ানকে হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় ভারত। এরপর রাহুল পূজারা মিলে চেষ্টা করেন সেই ধাক্কা সামলে নিতে। যদিও প্রাথমিক পর্যায়ে তারা সফল হলেও ৬৪ রানের পার্টনারশিপ গড়ে বড় ভাই ধাওয়ানের পথ ধরেন লোকেশ রাহুল। এরপর ১০৩ রানে চার উইকেট হারিয়ে কাঁপতে থাকা দলের ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন অধিনায়ক ও অভিষেককারী হনুমা বিহারী। ইংল্যান্ড পেসারদের দাপুটে বোলিংয়ের সামনে কোহলিকে যোগ্য সহায়তা করেন নবাগত বিহারী। অর্ধশতরান থেকে মাত্র এক কদম দূরে থেমে যায় ভারত অধিনায়কের ইনিংস। কোহলি-বিহারীর মূল্যবান ৫১ রানের পার্টনারশিপ দেড়শোর গন্ডি পেরোতে সাহায্য করে ভারতকে। কোহলি ফিরতেই যথারীতি চাপে পড়ে যায় ভারত। ভারতের টপ-অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ফিরিয়ে দিয়ে ম্যাচে জাঁকিয়ে বসে ইংল্যান্ড। মাত্র ৫ রানে ফেরেন পন্ত।

গত টেস্টের মত মইন আলি জুজু তাড়া না করলেও ইংরেজ পেসারদের সামলাতে গিয়েই নাস্তানাবুদ হলেন ধাওয়ান-রাহানেরা। কোহলি কিংবা রাহুল চেষ্টা করলেও ইংল্যান্ডের রানে থাবা বসানো টেল এন্ডারদের পক্ষে কতটা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন থাকছেই। কারণ সিরিজজুড়ে টেল এন্ডারদের পারফরম্যান্স তথৈবচ। দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারত পিছিয়ে এখনও ১১২ রানে। ক্রিজে রয়েছেন হনুমা বিহারী (৫০) এবং রবীন্দ্র জাদেজা (২৮)।

প্রসঙ্গত, ভারতের হয়ে অভিষিক্ত ম্যাচে বিহারীর এমন ব্যাটিংয়ে নিশ্চিত লজ্জায় মাথা হেইট ধাওয়ান-রাহানে ও পন্তের মতো অভিজ্ঞ সিনিয়রদের। সে আর যাই হোক, এই মুহুর্তে ইংল্যান্ডের রান টপকানো প্রধান টার্গেট ভারতের।