আহম্মদ কবিরঃ প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আজ (১৯শে,অক্টোবর) শুক্রবার শেষ হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা।
হিন্দু ধর্মাবলম্বী তথ্যসূত্রে জানা যায়, জগতের মঙ্গল কামনায় এবার মা দুর্গার আগমন ঘটেছিল ঘোড়ায় চড়ে। দুর্গোৎসবের চতুর্থ দিন গতকাল (১৮ই অক্টোবর) বৃহসপ্রতিবার মহানবমীর সন্ধ্যায় আরতি শেষে দেবীর বন্দনায় ২নং দক্ষিন বংশিকুন্ডা ইউনিয়নে নিশ্চিন্তপুর বড়বাড়ি,ঘাসি, বাট্রা,সানুয়া,শিশুয়া,বেশ কয়েকটি পূজামণ্ডপ ঘুরতে গিয়ে নজরে পড়ে বিষাদের সুর,প্রতিটি পুজামন্ডপ ভেজে উঠেছিল বিষাদের সুর।। আজ মা দুর্গার বিদায়। মহানবমীতে গতকাল বৃহস্পতিবার পূজা শুরু হয় সকাল সাড়ে ৬টায়। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় আরতি প্রতিযোগিতা। দিনভর চলেছে চণ্ডীপাঠ আর ভক্তদের কীর্তনবন্দনা। বিভিন্ন মন্দির ও মণ্ডপে ছিল ভক্ত ও দর্শনার্থীর উপচে পড়া ভিড়। নবমী পূজা শেষে অশ্রুসজল নয়নে ভক্তরা দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গার পায়ে অঞ্জলি দিয়েছে। পালকী চড়ে বিদায় নেবেন মা দুর্গা। গত সোমবার ৮ই,অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল শারদীয় এই দুর্গোৎসব। মঙ্গলবার মহাসপ্তমী, বুধবার মহাঅষ্টমী ও কুমারী পূজা এবং মহানবমী বিহিত পূজা শেষে আজ শুক্রবার বিজয়া দশমী ও দর্পণ বিসর্জন।
প্রতিমা বিসর্জনকে ঘিরে ২নং দক্ষিন বংশিকুন্ডা ইউনিয়নে পূজামণ্ডপে শুধুই বিষাদের ছায়া। বিদায়ের সুর বাজছে মণ্ডপগুলোতে। দেবীকে বিদায় দিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শেষ মুহূর্তের পূজা-অর্চনা সম্পন্ন করছেন। ঢাকঢোল, খোল-করতাল, কাসর-শঙ্খ বাজিয়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুর্গার বিদায়ের আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে আজ।
এছাড়া, দক্ষিণ বংশিকুন্ডা নিশ্চিন্তপুর বড়বাড়ি পুজামন্ডপ প্রাঙ্গণ থেকে বিকেল ৩টায় বিজয়া শোভাযাত্রা বের হয়েছে।
প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি মধ্যনগর থানা আওয়ামীলীগের অন্যতম নেতা শফিকুল ইসুলাম, বাংলাদেশ আওয়ামীযুবলীগ মধ্যনগর থানা শাখার দপ্তর সম্পাদক বিলাল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মধ্যনগর থানা শাখা সহসভাপতি জাকির হোসেন সহ বিভিন্ন অংগসংগঠনের নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সার্বিক নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। শুরু হতে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর
পাওয়া যায়নি।
অবশ্য পূজা শুরুর আগে,বর্তমান সংসদ ইঞ্জিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন পূজা উদযাপন পরিষদের বিভিন্ন সভায় ও পুজা উদযাপন কমিটিকে শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন নির্দেশনা দেন এবং প্রতিটি পুজা মণ্ডপে নগত ১০হ্যজার টাকা করে অর্থ অনুদান দেন।
Sylhetnewsbd Online News Paper