মস্তফা উদ্দিন,ষ্টাফ রিপোটার: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্নী ইউনিয়নের নয়াগ্রাম(মিহারী) গ্রামের সুমন দাসের বসত বাড়ির পরিত্যক্ত রান্না ঘরের জানালার গ্রিলের সাতে মুখ বাধাঁ অবস্তায় প্রান্ত দাস(১৮)এর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
বুধবার(৩১অক্টোবর) সকালের দিকে লাশটি উদ্বার করে বড়লেখা থানা পুলিশ।

নিহত প্রান্ত দাস উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের বাঘমারা গ্রামের সনত চন্দ্র দাসের ছেলে।
সে প্রায় ৬ বছর ধরে নয়াগ্রাম (মিহারি) গ্রামে তার মামা মৃত করুনাময় দাসের বাড়িতে তার মামাত ভাই সুমন দাসের পরিবারের সঙ্গে থাকতো ও এম মন্তাজিম আলী কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্র ছিল।
সরজমিনে গেলে তার মামাত ভাই সুমন দাস বলেন বিগত সোমবার রাত প্রায় সাড়ে নয়টার দিকে অামার ফিসিত (ফুফুত) ভাই প্রান্ত দাসকে রাতের খাবারের জন্য ডাকতে গেলে তাকে ঘরের ভিতরে না পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় খুজা খুজি করে আমরা পাইনি। পরে তার বড় ভাই শুভ দাস কে খবর দিলে সে ও আমরা আমাদের আত্নিয় সজন সহ ভিবিন্ন জায়গায় ২ দিন ধরে খুজাখুজি করে পাইনি।
আজ (৩১অক্টোবর) বুধবার সকালে ৬ টার দিগে আমাদের পার্শবর্ত্তী বাড়ির ভাতিজি চৈতী দাস(১০)ও পূর্নিমা দাস (৯)
আমাদেন বসত ঘরের পার্শে পরিত্যক্ত রান্না ঘরের দক্ষিণের জানালার গ্রিলের সাথে বাধাঁ অবস্তায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আমরা ঘুম তেকে উটে দেখতে পেয়ে চেয়ারম্যান ও স্হানীয় দেরকে জানাই।পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্বার করে সুরতাহল প্রতিবেদন তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যায়।
নিহত প্রান্ত দাসের বড় ভাই শুভ দাস বলেন অামার ভাই কে ২ দিন ধরে খুজে পাচ্ছিনা কেউ হত্যা করে রাতের আধাঁরে এখানে গ্রিলের সাথে মুখে বেধে রেখে যায়, আমার ভাইয়ের হত্যা কারিদের বিচার চাই।
লাশের সুরতহাল তৈরী কারী বড়লেখা থানার এস আই জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নিহত প্রান্ত দাসের গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। আত্নহত্যা না হত্যা ময়না তদন্ত রিপোর্টে বুজাঝাবে এখন সটিক কিছু বলা যাচ্ছেনা, এ বিষয়ে খতিয়ে দেখা হবে।

উল্লেখ্য প্রান্ত দাসের হত্যাকারিদের ফাসির দাবিতে এম মোন্তাজিম আলী কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ মিছিল করেছে।
Sylhetnewsbd Online News Paper