সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচারণার শেষদিনে পুলিশ-বিজিবিসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ‘সরকারদলীয়’ মনোভাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সিলেট-১ আসনের ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। একই সাথে পুলিশের কিছু ‘অতি উৎসাহী’ কর্মকর্তার কারণে তার শেষ নির্বাচনী জনসভাও পণ্ড করে দেওয়া হয়েছে; এছাড়া সেখান থেকে পথচারীসহ প্রায় ৫০ জনের মতো নেতাকর্মীকেও আটক করা হয়েছে বলে দাবি তার।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটায় তার কাজীবাজারস্থ বাসায় সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ প্রকাশ করে এমনটিই জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসন আমার বিপক্ষে একের পর এক কাজ করে যাচ্ছে। তবুও পূণ্যভুমি সিলেটের রাজনৈতিক সম্প্রীতির ব্যাপারে আমি আশাবাদী ছিলাম। কিন্তু সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডস্থ নুরে আলা কমিউনিটি সেন্টারে আমার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে পুলিশ-বিজিবি যে ‘তান্ডব’ চালিয়েছে এর বিচারের দায়ভার সিলেটবাসীর কাছে দিলাম।
তিনি দাবি করেন, ‘স্বাধীনতার পর সিলেটের মানুষ এমন নির্বাচন দেখে নাই। জনগণ কর্তৃত প্রত্যাখ্যাত হয়ে সরকার দলীয় প্রার্থী আমার নেতাকর্মীদের মাঠশুন্য করতে প্রশাসনকে ব্যবহার করেছেন। কিন্তু আমরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে আছি। আমাদের বিশ্বাস ৩০ ডিসেম্বর বিকেলে আমরাই বিজয়ের শেষ হাসি হাসবো।

তিনি বলেন, আমার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে তান্ডব চালানো হলো কিন্তু প্রশাসন আমরা অপরাধ কি সে ব্যাপারে কিছু বলেন নি। পুলিশের পাশাপাশি বিজিবির এমন তান্ডবে সিলেটবাসী বিস্মিত হয়েছে। মুক্তাদির বলেন, সরকার জেনে গেছে ভোটের মাঠে তাদের ফলাফল শুন্য। তাই তারা হামলা ও গণগ্রেফতার চালিয়ে আমার কর্মীদের মাঠ থেকে সরাতে এবং আতংক ছড়িয়ে কেন্দ্র গুলোতে ভোটার উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। আমার বিএনপি ও জোটের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ সহ সাধারণ নেতাকর্মীদের উপর একের পর এক গায়েবী মামলা দেয়া হয়েছে। প্রতিদিনই আমার নেতাকর্মী গ্রেফতার হচ্ছে।
এত কিছুর পর সিলেটের সাধারণ ভোটারদের প্রতি আমি যে বিশ্বাস, উৎসাহ উদ্দীপনা ও ভালবাসা দেখেছি ইনশাআল্লাহ বিজয়ের শেষ হাসি আমরাই হাসবো। সংবাদ সম্মেলনে সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি অধ্যাপিকা সামিয়া বেগম চৌধুরী, মহানগর মহিলা দলের সভাপতি জাহানারা ইয়াসমিন ও খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির পত্নী জাকিয়া ইয়াসমিন উপস্থিত ছিলেন।

Sylhetnewsbd Online News Paper