সিলেট নিউজ বিডি ডেস্কঃ বড় একটি দল নির্বাচন বয়কট করায় প্রথম ধাপে উপজেলা নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। বুধবার সিলেটে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন সিইসি।
তিনি বলেন, কত শতাংশ ভোট হলে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন, এর কোনো মাপকাঠি নেই। সবচেয়ে বেশি ভোট যিনি পাবেন, তিনিই নির্বাচিত হবেন। কতভোট পড়লো তা কমিশনের দেখার বিষয় না। যতো সংখ্যক ভোটার যাবেন ভোট দিতে, ততো সংখ্যকের ভোট নেওয়া হবে। তাদের ভোটে যারা নির্বাচিত হবেন, তারাই হবেন জনপ্রতিনিধি।
রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তির আশঙ্কায় ইভিএম চালু করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনে ব্যালট বাক্স বড় ঝামেলা। এজন্য ইভিএম চালু করলে সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। যদিও ইভিএম চালু করার ব্যাপারে আগে থেকেই সিদ্ধান্ত আছে। প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ইভিএম চালুর কথা বলেছি। কেননা, নির্বাচনের ব্যালট বাক্স ছিনতাই হয়, আগুন দেওয়া হয়, উপড়ে ফেলা, জোর করে সিল মারার ঘটনা ঘটে। আর আগের রাতে নির্বাচনের বাক্সে ভোট দেওয়া পুরনো ঘটনা।
তিনি বলেন, দ্বিতীয় ধাপে সিলেটে ইভিএম চালু করতে পারিনি। তবে চতুর্থ ও পঞ্চম ধাপে ১০টি উপজেলায় ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ করা হবে। বিশেষ করে সদর উপজেলাগুলোতে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এর আগে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন সিইসি। সভায় বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, রেঞ্জ ও মেট্টোপলিটন পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, আনসার ভিডিপিসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
Sylhetnewsbd Online News Paper