বড়লেখায় স্কুলপর্যায়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত

মস্তফা উদ্দিন,বড়লেখাঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে স্কুলপর্যায়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন,শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে নেতৃত্বের অভিজ্ঞতালদ্ধ জ্ঞান, ব্যক্তিত্ব ও গণতন্ত্রের চর্চায় তারা এগিয়ে নেবে দেশকে।

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়,চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত। পৃথক বুথ তৈরি করে ভোটগ্রহণ করেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা।

উপজেলার দাসেরবাজার উচ্চ বিদ্যালয়, হাকালুকি উচ্চ বিদ্যালয়,বড়লেখা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ,বিভিন্ন স্কুল ঘুরে শিক্ষার্থীরা লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খল ও অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দেখা গেছে। একটি পদে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে দেখা গেছে। প্রত্যেকটি ক্লাস থেকে ১ জন এবং সর্বোচ্চ ২ জন করে ৬ষ্ঠ হতে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভোটাররা ব্যালটের মাধ্যমে সর্বমোট ৮ জন প্রতিনিধি নির্বাচন করেছে। দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ পদে মোট ২২ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে।

দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোটার ৬ষ্ট শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহি আক্তার শিমু,৮ম শ্রেণির ইমা আক্তার বলে, এ নির্বাচন নিয়ে এক সপ্তাহ থেকে প্রচার-প্রচারণা চলছিল। এ বয়সে স্কুলের ভোটার হতে পেরে তাদের ভীষণ ভালো লাগছে। এ নির্বাচন নেতৃত্বের অভিজ্ঞতালদ্ধ জ্ঞান, ব্যক্তিত্ব ও গণতন্ত্রের চর্চায় এগিয়ে নেবে দেশকে।সকাল বেলা স্কুলে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে বলেও জানায়।

নির্বাচনে প্রার্থী ৬ষ্ট শ্রেণির শিক্ষার্থী সংগীতা দাস রিয়া, তাছনিমা খানম নুহা,৮ম শ্রেণির পুষ্পিতা চক্রবর্তী জানায় স্কুলপর্যায়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনের মতই শিক্ষার্থীরা প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসারসহ নির্বাচনের সমুদয় দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সাথে নিজেরা পালন করেছে। এর আগে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রার্থীরা প্রচারণা চালিয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বড়লেখা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাওলাদার আজিজুল ইসলাম বলেন,উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে শান্তিপূর্ণভাবে একযোগে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন হয়েছে। অধিকাংশ বিদ্যালয়ে শতকরা ৭০/৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছে। এবার একজন শিক্ষার্থী একটি ব্যালটে আটটি পদে ভোট দিয়েছে।শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, নির্বাচন এবং নেতৃত্বের অভিজ্ঞতালদ্ধ জ্ঞান, ব্যক্তিত্ব ও গণতন্ত্রের চর্চায় তারা এগিয়ে।