অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামসউদ্দিন:
“কেউ বলে স্বপ্নের ফেরিওয়ালা
কেউ বলে স্বপ্ন-সুরের বাদক,
আমি বলি স্বপনে জাগরনে
এক শিক্ষা-সাধক।”
ভূকশিমইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তণ ছাত্র- ছাত্রীদের সর্বক্ষেত্রে সফল পদচারণা বিদ্যমান। বাদ যায়নি সৃজনশীল উদ্যোগের মতো চ্যালেন্জ গ্রহণ। এমনি একজন সফল উদ্যোক্তা জনাব মুহিবুর রহমান (Muhibur Rahman) সমাজে প্রতিষ্ঠিত মানুষদের মধ্যে একজন। যিনি ১৯৯২ সালে প্রথম বিভাগে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাশ করেন।
জন্ম জাবদা গ্রামে। বাবা জনাব মরহুম নওয়াব অালী ভূকশিমইল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। জনাব মুহিবুর বর্তমান চেয়ারম্যান অাজিজুর রহমান মনিরের ছোট ভাই।
মদন মোহন কলেজ থেকে এইচএসসি, অনার্স, মাস্টার্স সম্পন্ন করে শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সামাজিক উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। পাশাপাশি তিনি মদন মোহন কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। বর্তমানে সিলেট কমার্স কলেজ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ,মুহিবুর রহমান একাডেমীসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সফল উদ্যোক্তা।
দুটি অাবাসি হোস্টেল এবং স্বাস্থ্য, পর্যটনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে রয়েছে তার সফল পদচারণা।
তাঁর সফল উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় তিন শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। পেয়েছেন স্বীকৃতি স্বরূপ অনেকগুলো পদকও।
অত্যন্ত অমায়িক, পরিশ্রমি মানুষ হিসেবে তিনি পরিচিত। কর্মজীবনের বিভিন্ন ধাপে দেশ বিদেশে অজস্র মানুষের সান্নিধ্য পাওয়ার সুযোগ হয়েছে। কিন্তু মুহিবুর রহমান স্যারের সাথে ‘মুহিবুর একাডেমি’র অধ্যক্ষ হিসেবে কাজ করতে গিয়ে হয়েছে এক অনন্য অভিজ্ঞতা। প্রতিষ্ঠান গুলোকে ভালোবাসেন নিজের সন্তানের মতো। এমন বিনয়ী ও নিরহংকারী মানুষ আজতক দেখিনি। এতগুলো সফল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্মদাতা হয়ে ও জীবনযাপন একেবারে ই সাদাসিধে। গুরুত্বপূর্ণ অনেক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে একটা শব্দ ই সবসময় মাথায় আসে। আর সেটা হলো ‘উত্তম’। ন্যায়ভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার এই কনসেপশন টা উনার কাছ থেকে ই শেখা। ভয়াবহ এ করোনা সংকটে ও কাজ করে যাচ্ছেন নিরলস। শিক্ষার মান উন্নয়নে উনার নিরন্তর প্রচেষ্টা তাকে ‘শিক্ষা-সাধক’ হিসেবে ই জনমনে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
লেখকঃ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন, ইংরেজি ভাষা গবেষক,শিক্ষক প্রশিক্ষক ও কলামিস্ট।
Sylhetnewsbd Online News Paper