অস্থির আলুর বাজার: নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামছে বড়লেখা প্রসাশন

মস্তফা উদ্দিন,বড়লেখা: সরকারি নির্দেশনায় আলুর সর্বোচ্চ দাম ৩০ টাকা বেঁধে দিলেও ছাপ পড়েনি বাজারে। আগের সেই পঞ্চাশ টাকা দরেই বিক্রি হচ্ছে আলু।তাই আলুর বাজার নিয়ন্ত্রনে মাঠে নেমেছে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা প্রসাশন।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বড়লেখা পৌরশহরের হাজিগঞ্জ বাজারে আলুসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার তদারকি করতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান। এসময় বড়লেখা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই প্রভাকর রায়ের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযানে সহায়তা করেন।

বিশেষ এ অভিযানে ভ্রাম্যামাণ আদালতের মাধ্যমে ৭টি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানকে ২২ হাজার টাকা জ‌রিমানা করা হয়।

জানা গেছে, পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ করে কোনো কারণ ছাড়াই লাফিয়ে বাড়ছে আলুর দাম। মাসের ব্যবধানে আলুর দাম দ্বিগুণ বেড়ে এখন খুচরা বাজারে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যে আলু বিক্রি হচ্ছে কিনা তা তদারকি করতে শুক্রবার বড়লেখা পৌরশহরের হাজিগঞ্জ বাজারে বিশেষ তদারকি অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন। এসময় বেশি দামে আলু বিক্রি, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা ও পন্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৭ ব্যবসায়ীকে ২২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যামাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিট্রেট মো. শামীম আল ইমরান। এসময় বড়লেখা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই প্রভাকর রায়ের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযানে সহায়তা করেন।

এ বিষয়ে বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রে মো. শামীম আল ইমরান বলেন, সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বেশী দামে আলু বিক্রয়সহ বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে পৌর শহরের হাজিগঞ্জ বাজারের ৭ ব্যবসায়ীকে মোট ২২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।আলুসহ যে কোন নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য যারাই অধিক দামে বিক্রয় করবে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলবে। পর্যায়ক্রমে বড়লেখা উপজেলার অন্যান্য বাজার গুলোতেও এ তদারকি অভিযান চালানো হবে।