সিলেটের ওসমানীনগরে কতিপয় রিটার্নিং ও প্রিজাইটিং অফিসারের বিরুদ্ধে মক ভোটিংয়ে অংশগ্রহন বারনের মাধ্যেমে কয়েকলক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন প্রায় দুই শতাধিক সহকারি প্রিজাইটিং অফিসার ও পোলিং অফিসার। ওসমানী নগরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে তারা লিখিতভাবে এ অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ওসমানীনগর উপজেলার বিভিন্ন নির্বাচনী কেন্দ্রের দুই শতাধিক সহকারি প্রিজাইটিং ও পুলিং অফিসার কর্তৃক স্বাক্ষরিত গত ৩০ জানুয়ারীর অভিযোগ পত্রে বলা হয়,নির্বাচন কমিশনের ঘোষনা অনুযায়ি ২৯ জানুয়ারী সকল সহকারি প্রিজিইটিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের মক ভোটিংয়ে অংশ নেয়ার কথা ছিল।কিন্তু কতিপয় প্রিজাইটিং অফিসার কিছু রিটার্নিং অফিসারের পরামর্শে নামমাত্র কয়েকজন ছাড়া বাকিদের সেই মক ভোটিংয়ে অংশ নিতে বারন করেন।যার প্রেক্ষিতে এ সকল সহকারি প্রিজাইটিং অফিসার ও পোলিং অফিসারের নামে বরাদ্ধকৃত সম্মানীর কয়েক লক্ষ টাকা তারা আত্মসাত করে নেন।
জানা গেছে,ষষ্ঠ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ভোটারদের ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ভোটদান পদ্ধতি ২৯ জানুয়ারি শেখানোর ক্ষেত্রে প্রতিটি কেন্দ্রেই মক ভোট (অনুশীলনমূলক ভোট) নেওয়ার নির্দেশনা দেয় নির্বাচন কমিশন।মক ভোটের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনাও দেওয়া হয়। তারাই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা।
নির্দেশনা অনুযায়ি প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ২৯ জানুয়ারি ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মক ভোটিং অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।ওই মক ভোটিং অনুষ্ঠানে সব প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার উপস্থিত থেকে মক ভোটিং সম্পন্ন করারও কথা।কিন্তু ওসমানীনগরে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা না মেনে অত্মসাত কর্মে নিজেদের জড়িয়ে ফেলেন কিছু অসৎ কর্মকর্তা।সহকারী প্রিজাডিং তারেক আল জুবায়ের বলেন আমি মক ভোটিং এ উপস্থিত তাকালে ও আমাকে বরাদ্দক্রীত সম্মানী দিতে অসম্মতি জানান প্রিজাটিং অফিসার মোঃ ফখরুল ইসলাম, প্রভাষক মাদার বাজার এফ ইউ মোঃ ফখরুল ইসলাম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এরকম যদি কেউ থেকে থাকে আমার সাথে যোগাযোগ করলে আমি তা মাষ্টাররোল দেখে দিয়ে দিবো বলে জানিয়েছেন। ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নীলিমা রায়হানা বলেন এ ব্যাপারে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে তদন্ত শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
Sylhetnewsbd Online News Paper