নিউজ ডেস্ক ::সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের জহিরপুর গ্রামে জমি দখল করাকে কেন্দ্র করে হয়েছে হামলা, ভাংচুর, মামলা পাল্টা মামলা। এ নিয়ে এলাকায় বিরাজ করছে চরম উত্তেজনা।
উপজেলার নয়াবন্দর বাজারের দক্ষিন-পূর্বে ৪৮ শতক ভূমির মালিক হচ্ছেন সিরাতুল আম্বিয়া টিপু গংরা। কিন্তু এ জায়গাটি মসজিদে ওয়াকপ করে দেওয়া হয়েছে এরকম দাবীতে স্থানীয় প্রভাবশালীরা তাদের দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় একাধিক সুত্রে জানা যায়, গত চলতি বছরের ২৭ এপ্রিল রমজান মাসে, রাতে একটি সঙ্গবদ্ধ দল অস্ত্র-স্বস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সিরাতুল আম্বিয়া টিপুর মৌরসী মালিকানাধীন বাগান বাড়ীতে ৪টি ঘর ও সীমানা প্রাচীর এবং সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত টিকাদারের পৃথক ১টি বাড়িতে ট্রাকযোগে এক্সেভেটর মেশিন দিয়ে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে।
ঘটনার পরে মালিক পক্ষ কোন প্রকার সংঘর্ষে না জড়িয়ে আশার কান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরপুর গ্রামের বাসিন্দা দ্বীনুল ইসলাম বাবুলকে প্রধান আসামী করে ২৮ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন মালিক পক্ষের সিরাতুল আম্বিয়া টিপু।
পরবর্তিতে আসামী পক্ষ মামলার জামিন নিয়ে এলাকায় এসে মালিক পক্ষের উপর পাল্টা মামলা দায়ের করেন। এবং তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দামকি দিয়ে জায়গা দখলের পায়তারা করছেন।
এ ব্যাপারে সিরাতুল আম্বিয়া টিপুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জহিরপুর মৌজার ৪৮ শতক ভূমি আমাদের পারিবারিক মৌরসী সম্পত্তি। কিন্তু ইদানিং গ্রামের প্রভাবশালীরা জোরপূর্বক জায়গা দখল করার জন্য উটেপড়ে লেগেছে।
জহিরপুর গ্রামের বাসিন্দা আজিজুর রাজা চৌধুরী আনা, আব্দুস সামাদ রানা মিয়া ও নুরুল ইসলাম গোলাব আলীর কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তারা বলেন, ১৯৮১ সালে গ্রাামের ১৫ জন বিশিষ্ট মুরব্বী ৫০শতক ভূমি জহিরপুর মসজিদের নামে দলিল করে দেন। কিন্তু দখলদাররা এ জায়গাটি নিজেদের দাবি করে দখলে নিতে চাইছে।এবং সেখানে নির্মাণাধীন ঘর ,দেয়াল নিজেরা ভেঙ্গে মিথ্যা মামলার আশ্রয় নিচ্ছে।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, নয়াবন্ধর এলাকায় ঘর বাড়ি ভাংচুর এর বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত আছে এবং মামলা রয়েছে তদন্তাধিন।
Sylhetnewsbd Online News Paper