উপজেলা নির্বাচনে আ’লীগের পদবিধারিরাই ওসমানীনগর প্রচারনায়

আগামী ২৭ জুলাই অনুষ্টিত হবে সিলেট জেলার ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাচন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রায় বছর দেড়েক আগ থেকেই চলছে প্রচার প্রচারণা। এ প্রচারনায় উপজেলা ওয়ামীলীগের পদবিধারিরা রয়েছেন এগিয়ে। দলের দায়িত্বশীল পদবী থাকলেও উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য যাচ্ছেন দলীয় নেতা কর্মী এবং ভোটারদের বাড়ি বাড়ি।
একদিকে প্রতিকের প্রত্যাশা। অন্য দিকে নিজ দল ছাড়াও অন্য দলের ভোটার এবং সাধারণ ভোটার সব মিলিয়ে কৌশল অবলম্বন করে এগুচ্ছেন নির্বাচনে অংশগ্রহন কারীরা। নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করে শেষ পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারবেন কিনা এ নিয়েও সন্দহে রয়েছে তুনমূলে।
গেলো উপজেলা নির্বাচনে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আতাউর রহমান অংশ করে জ¦য়লাভ করতে পারেননি। এবারের নির্বাচনেও তিনি অংশ গ্রহন করার জন্য প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও রয়েছেন উপজেলা আওয়ামলীগ সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান চৌধুরী নাজলু , উপজেলা যুবলীগ সাধারন সম্পাদক আলতাফুর রহমান সুহেল। যদিও দলীয় পদবিধারি কারো নির্বাচনে অংশ গ্রহন করায় কোন বিধি নিষেধ নেই তবুও এ নিয়ে তৃনমূলে হচ্ছে আলোচনা সমালোচনা।
আ’লীগের একাধিক তৃনমূল নেতৃবৃন্দের সাথে উপজেলা নির্বাচন নিয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন , দলের পদবী থাকার পরও উপজেলা নির্বাচনে নিজেদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় দলের ভেতর শুরু হয় দ¦ন্দ্ব। যার প্রভাব পড়ে নির্বাচনে। নিজেদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না বাড়িয়ে তৃনমুল থেকে বাচাই করে যে কোন একজনকে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করালে দলের জন্য ভালো হতো এবং সহজে নির্বাচনে জ¦য়লাভ করা সম্ভব হতো ।
ওসমানীনগর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আতাউর রহমান ও সাধারন সাধারন সম্পাদক আফজালুর রহমান চৌধুরী নাজলুর কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তারা বলেন . এলাকার উন্নয়ন হয় স্থানীয় সরকারের হাত ধরে।আমরা দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকায় এলাকার উন্নয়নের জন্য কেবল অনুরুধ করি, কিন্তু সরাসরি উন্নয়ন করা সম্ভব হয়না। আ’লীগ ক্ষমতায় অধিষ্টিত হিসেবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের জ¦য় হলে এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এছাড়া এলাকার মানুষের উন্নয়নের লক্ষ্যেই নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে চাইছি