সরকার দেশকে বিক্রি করে দিচ্ছেঃ মির্জা ফখরুল

সিলেট নিউজ বিডি ডেস্কঃ নিজের স্বার্থে, ক্ষমতায় থাকার স্বার্থে সরকার দেশকে বিক্রি করে দিচ্ছে,ক্ষমতায় টিকে থাকতে সরকার দেশকে ‘পরনির্ভরশীল’ জাতীতে পরিনত করে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ।ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ইউট্যাবের উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৯ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠীত হয়। এ সভায় মির্জা ফখরুল বলেন,ক্ষমতায় টিকে থাকতে সরকার দেশকে ‘পরনির্ভরশীল’ করে ফেলেছে । এখন তো দেখছেন দেশে চুরি, দুর্নীতি কীভাবে হচ্ছে ? আওয়ামী লীগের রসায়ন হচ্ছে চুরি, দুর্নীতি, সন্ত্রাস।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ঐ সময়ে তাদের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান বলেছেন যে, ‘অন্য নেতারা দেশে পায় সোনার খনি আর আমি পেয়েছি চোরের খনি।’ এটা তার আক্ষেপের কথা। নিজের স্বার্থে, ক্ষমতায় থাকার স্বার্থে দেশকে কীভাবে বিক্রি করে দিচ্ছে, পরনির্ভরশীল করে ফেলেছে। তাদের কথা-বার্তায় সব বেরিয়ে আসছে। সমস্ত প্রতিষ্ঠান,সমস্ত সুন্দর তারা ধ্বংস করে দিয়েছে। এর চেয়ে খারাপ কিছু কী হতে পারে?

তিনি আরও বলেন, শুধু আওয়ামীলীগ ছাড়া আর কোন দল যেন নের্তৃত্ব সৃষ্টি করতে না পারে সেই পরিকল্পনা করে নেতৃত্ব সৃষ্টির পথ তারা ধবংস করে দিয়েছে । আর নেতৃত্ব তৈরি হবেও বা কীভাবে? ছাত্র সংসদের নির্বাচন নেই, ডাকসুর নির্বাচন নেই, দেশে কোন নির্বাচন নেই।

মির্জা ফখরুল বলেন,সরকার খুব বড় বড় কথা বলে। অথচ বিএনপির সময় বাজেটের পরিমাণ ছিল কত, এখন হয়েছে কত। তারা (সরকার) অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে কার স্বার্থে? সম্পূর্ণভাবে বিদেশিদের স্বার্থে। পরনির্ভরশীল একটা জাতিতে পরিণত করেছে সরকার। তিনি আরোও বলেন, বিএনপি দেশটাকে ভালোবাসে… জনগণের উপরে করের বোঝা চাপায় না, ঋণের বোঝা আমরা চাপায় না। আজকে ঋণের বোঝা জনগণের ওপর চাপানো হয়েছে। প্রতিটি ব্যক্তির ওপরে এক লাখ ৫৫ হাজার টাকা ঋণ ।২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে জনগণের সমস্যা সমাধানে কোনো দিক নির্দেশনা নেই । মূল্যস্ফীতি কমানোর কোনো ব্যবস্থা বাজেটে নেই। মেশনারিজ জিনিসপত্রের আমদানি করলে উৎপাদন বাড়তে পারে সেগুলোর উপরেও ট্যাক্স আরোপ করেছে সরকার। তাহলে কর্মসংস্থান হবে কীভাবে?

এছাড়া এ আলোচনা সভায় জিয়াউর রহমানের শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক গোলাম হাফিজ কেনেডি,অধ্যাপক তৌফিকুল ইসলাম ও অধ্যাপক কামরুল আহসান।