ছাতকে সমতা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির দুর্নীতির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সিলেট নিউজ বিডি: সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকের সিংচাপই কামার গাঁওয়ের সমতা স্কুল এন্ড কলেজ নিয়ে প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতির অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার ঘটনায় ফুঁসে উঠছেন এলাকাবাসী। ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করতে এই দুই ব্যক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছেন।

এ অবস্থায় এলাকার সচেতন অভিবাবক ও সর্বস্তরের নাগরিকবৃন্দের পক্ষ থেকে শনিবার(১২নভেম্বর) বিকেল ৩টায় সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় প্রধান শিক্ষক সামাদ ও ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি ফারুক মিয়ার অনিয়ম দুর্নীতিতে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অসংখ্য শিক্ষার্থী।
লন্ডন প্রবাসী সমাজ সেবক ও উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন দাতা এম ইসলাম দিলার পক্ষে তার ভাই আজাদ আহমদ সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে আজাদ আহমদ বলেন, লক্ষ লক্ষ অর্থ ও শ্রম দিয়ে তার ভাই এম ইসলাম দিলা মিয়া গড়ে তোলে ছিলেন সমতা স্কুলে কলেজ শাখা। উন্নত শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে শিক্ষকের বেতন সহ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করে স্কুলের কল্যাণে অবদান রেখেছেন। কিন্তু বর্তমানে কিছু ব্যক্তিবর্গ ভূল পথে পরিচালনা করে যাচ্ছেন। বেআইনি ভাবে প্রধান শিক্ষক ও সাবেক সভাপতি সম্মিলিত ভাবে স্কুল ও কলেজে নতুন পকেট কমিটি গঠন করা হয়।
যেখানে পুণরায় গত কমিটির সভাপতিকে সভাপতি করে কমিটি প্রধান শিক্ষকসহ কিছু ব্যক্তিবর্গ। যে কমিটির সাথ এলাকার তথা ছাত্রছাত্রীর অভিবাবকদের কোন সম্পৃক্ততা নাই।

কোন ভর্তি রশিদ ও মাসিক রশিদ ছাড়াই চাঁদা আদায়সহ নানাবিধ বাণিজ্যে জড়িয়ে আছেন খোদ প্রধান শিক্ষক আব্দুস সামাদ। এই পকেট কমিটির মাধ্যমে পকেট ভারী করার প্রয়াসেই মুলত বর্তমান কমিটি অনুমোদনে মরিয়া হয়ে উঠেন প্রধান শিক্ষক। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এলাকাবাসীর একটাই দাবি বাণিজ্য করার উদ্দেশ্যে যে কমিটি দেয়া হয়েছে সেই কমিটি প্রত্যাহার করে বিপথগামী স্কুল এন্ড কলেজকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে যোগ্য ব্যক্তিবর্গদিয়ে নতুন কমিটি দেয়া হোক।

উল্লেখ্য, সিংছাপইড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহেল মিয়া মোবাইল ফোনে সংযোগের মধ্যে দিয়ে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ঐক্যমত পোষন করেন।