সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: খাদিমনগর ইউনিয়নের মটরঘাট বাজারে রাতারগুল সোয়াম ফরেষ্টের খেয়াপথ, মটরঘাট বাজার খেয়াঘাট ইজারা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থা বিরাজ করছে। সকালে ইজারা গ্রহীতা ও এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। এবং আপাতত রাতারগুল ইউপি চেয়ারম্যানের দেখাশোনার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, সকালে ইজারাদার এর পক্ষে ফরিংউরা গ্রামের আলাই মিয়া লোকজন রাতারগুলে গেলে মটরঘাট এলাকার নুর মিয়ার লোকজন মুখোমুখি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে ঘটনাস্থলে ছুটেযান খাদিমনগর ইউনিয়ন পারিষদের চেয়ারম্যান মো. দিলোয়ার হোসেন। রতিন্দ্র লাল দাস সর্বোচ্চ দরদাতা রফিক মিয়া জানান, মূলত নদী পারাপারের জন্যই এই ঘাটটি ব্যবহৃত হচ্ছে অনেক আগে থেকে। মোটরঘাটের খেয়াঘাটটি প্রতি বছর জেলা পরিষদের মাধ্যমে ইজারা দেয়া হয়। ঘাটটি লিজ নেয় শহরের কিছু নামধারী প্রতিষ্ঠান। তারা ঘাটটি লিজ নিয়ে অবৈধভাবে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী দাঙ্গাবাজের কাছে সাবলিজ দেয় । যারা সাবলিজ নেয়, তারা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত পর্যকটদের কাছ থেকে কৌশলে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে। এতে নৌকার মাঝি ও পর্যটকগণ হয়রানির শিকার হন ।
খাদিমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দিলোয়ার হোসেন জানান, ঘটনা সালিশের আওতায় আনা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
জানতে চাইলে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন বলেন, সকালে রাতারগুলে ইজারা নিয়ে উত্তেজনা ছিল। পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি শান্ত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি আপসে দেখার জন্য চেয়ারম্যানের জিম্মায় বিচারের ব্যবস্থা করাে হয়েছে।
Sylhetnewsbd Online News Paper