মেধাবী শিশু রিমাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

সিলেট নিউজ বিডি ডেস্ক: সিলেট ঢাকা দক্ষিন এলাকার ঢাকা দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর মেধাবী শিশু রিমা বেগম মনি’র (১০) জীবন বাঁচাতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। সে কিডনীজনিত রোগে আক্রান্ত। তার দুটো কিডনীই নষ্ট হয়ে গেছে। বর্তমানে সে বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। প্রতি সপ্তাহে সিলেট রাগিব রাবেয়া মেডিকেলে হাসপাতালে ডায়ালাইসিস দিয়ে যাচেছ।

দীর্ঘদিন থেকে রিনা কিডনী জনিত রোগে ভোগছিল। ডাক্তারের পরামর্শে তাকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় রীমাকে। সেখানে চিকিৎসায় ব্যয়ভার নিতে না পেরে তার পরিবার তাকে সিলেট রাগীব রাবেয়া মেডিকেলে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে সে দীর্ঘদিন ভর্তি ছিল। চিকিৎসার প্রাথমিক পর্যায় থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে তার পরিবারের।
শিশুটির পরিবারের পক্ষে ব্যয়বহুল চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছেনা। প্রতি সপ্তাহে তিন দিন ডায়ালাইসিস করাতে হয়। চিকিৎসা করাতে পরিবার সহায় সম্বল হারিয়ে নি:স্ব হয়ে গেছে।

শিশুটির পিতা মোহাম্মদ আবুর রব বলেন, মেয়ের চিকিৎসা করাতে এখন হিমশীম খাচ্ছি। তাকে যখন ডাক্তারে নিয়ে যাই তখন ৬০ থেকে ৭০ ভাগ কিডনীর কার্যক্রম নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। এখন পুরো নষ্ট হয়ে গেছে। চিকিৎসায় অনেকটা সুস্থ্য হয়েছে। কিন্তু ইতিমধ্যে চিকিৎসা করাতে গিয়ে নি:স্ব হয়ে গিয়েছি। সকলের কাছে সাহায্যের আবেদন করছি। সপ্তাহে তিন দিন তাকে সিলেট রাগিব রাবেয়া মেডিকেলে হাসপাতালে ডায়ালাইসিস করে যান।

শিশু রিনা আল হারামাইন হাসপাতালের নেফ্রোলজি কনসাল্টেন্ট ডা. আব্দুল লতিফ এর তত্বাবধানে রয়েছে। তিনি প্রতি সপ্তাহে তাকে ডায়ালাইসিস দিয়ে যাচ্ছেন।
বর্তমানে টাকার অভাবে চিকিৎসা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তাই মেধাবী শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখার আকুল আবেদন জানিয়েছেন তার মা-বাবা। একদিকে সন্তানের চিকিৎসা, অন্যদিকে সংসারের ব্যয়ভার নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন তাঁরা।

এমতাবস্থায়, শিশু রিমার চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীসহ সকল হৃদয়বান ও বিত্তবান ব্যক্তির আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন অসহায় মা-বাবা ও স্কুলের সহপাঠীরা।

শিশুটির চিকিৎসায় সহযোগিতা দিতে সরাসরি যোগাযোগ করুন রিমার বাবার মোবাইল নম্বরে-০১৭১৯৮৩৯৮৪৬। আর সাহায্য দিন এই চলতি হিসাবে- হিসাব নং ৮৭৮৮, উত্তরা ব্যাংক, ঢাকা দক্ষিন শাখা, সিলেট। বিকাশও করতে পারেন ০১৭১৯৮৩৯৮৪৬(পারসনাল)

আপনার সাহায্যে জীবন ফিরে পেতে পারে চতুর্থ শ্রেণীর মেধাবী শিশু রিমা।